Tuesday, November 26, 2024

Before Trump came to power, the students of US universities were worried

    Trump has promised to deport millions of illegal immigrants when he returns to the White House
 

Authorities at various US universities have emailed international students advising them to return to their respective campuses ahead of Donald Trump's inauguration.

Trump will be sworn in as the new president of the United States in January next year. During the campaign, he promised mass deportations of immigrants if he returned to the White House. He also announced to take the help of the country's military for this.

After winning the election on November 5, Trump began to take steps to fulfill his promise. "Concern" has been created among international students studying at various universities in the United States, said Professor Chloe East of the University of Colorado Denver.

"All international students are worried right now," said Professor Chloe East.

According to the US Higher ED immigration portal, more than 400,000 undocumented students are pursuing higher education in the United States.

Trump administration officials have said major infrastructure could be built to house undocumented immigrants on the deportation list.

Tom Homan, a veteran immigration official, has been appointed to oversee the border in Trump's incoming administration. He said that heinous criminals and those who pose a threat to national security will be deported on priority. However, this statement of his cannot reduce the anxiety of undocumented students who come for higher education.

Professor East said, "With the uncertainty surrounding immigration, students are under an incredible amount of anxiety and worry at the moment." Many students are worried about the validity of their visa and whether they will be allowed to continue their studies here.

Earlier this month, the University of Massachusetts issued a travel warning to its international students, faculty and university staff. They have been advised to return to campus before Trump is sworn in on January 20. American universities are now on winter break.

University officials said the Office of Global Affairs is issuing the travel advisory as a precautionary measure, following the Trump administration's 2016 travel ban.

Trump signed an executive order in his first week after taking the oath of office in 2017. The order banned travel to the United States from citizens of North Korea and Venezuela, along with several Muslim-majority countries. In his first term, he also proposed limiting student visas.

This time, the university authorities have already taken precautionary measures. Authorities at the Massachusetts Institute of Technology and Wesleyan University have also issued similar travel warnings and asked students and staff to return to the US before the swearing-in.

Foreign students are not the only ones concerned about Trump's immigration policy. Rather, students who were born in other countries but moved to the United States as children are also worried.

Until recently, they were protected under the Deferred Action for Childhood Arrivals (DACA) policy of the former President Barack Obama administration.

Trump attempted to repeal the policy during his first term. Obama's DACA policy protects more than 500,000 immigrants who immigrated to the United States as children.

Professor East said that the students of various Asian countries, especially China, are "concerned" about how China's relationship with the United States will be during the Trump era.

Maeda said Trump said he would only deport illegal immigrants. But he has gone back and toughened his word before.

Maeda said, "I think that international students will have problems with visas and it will make it easier to deport us."

চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগে আটক ৩০

    সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান তাঁর অনুসারীরা। মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রামের আদালত চত্বরে
 

চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও আইনজীবী হত্যার অভিযোগে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে যৌথ বাহিনী।


নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) কাজী মো. তারেক আজিজ আজ বুধবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা ও আইনজীবী খুনের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও আইনজীবী খুনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


গতকাল বিকেলে চট্টগ্রাম আদালত ভবনের মূল ফটকের সামনে রঙ্গম সিনেমা হল–সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) ছিলেন। সাইফুল লোহাগাড়ার চুনতি এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে। সংঘর্ষে ১০ পুলিশ সদস্যসহ আহত হন অন্তত ৩৭ জন।


গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর করা হয়। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর জন্য প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। তখন চিন্ময়ের অনুসারীরা প্রিজন ভ্যান আটকে দেন। 


তাঁরা এ সময় বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। আড়াই ঘণ্টা পর বেলা তিনটার দিকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।


গত সোমবার বিকেলে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চিন্ময় কৃষ্ণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে চট্টগ্রামে আনা হয়।


গত ৩১ অক্টোবর নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা করেন। পরে ফিরোজ খানকে বিএনপি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এডিপিতে বরাদ্দ ২৯২ কোটি টাকা, অথচ ১ টাকাও খরচ হয়নি

 

 
    এডিপি

  • চার মাসে খরচ হয়েছে ২১,০৯৭ কোটি টাকা, যা এর আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা কম।
  • উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জুলাই-আগস্টের আন্দোলন, ক্ষমতা পরিবর্তন এবং ঠিকাদার ও প্রকল্প পরিচালকদের অনুপস্থিতির প্রভাব পড়েছে।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাতটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। পাকিস্তান, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, ভুটান, ব্রুনেই ও সৌদি আরবে সাতটি চ্যান্সারি কমপ্লেক্স তৈরির জন্য আলাদাভাবে এসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরে এই সাত প্রকল্পে মোট ১৪৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু অর্থবছরের প্রথম চার মাসে, অর্থাৎ জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১ টাকাও খরচ করা সম্ভব হয়নি।


একইভাবে আইন ও বিচার বিভাগ তাদের চারটি প্রকল্পে ১৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে গত চার মাসে ১ টাকাও খরচ করতে পারেনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন ও বিচার বিভাগের ১১টি প্রকল্পে মোট ২৯২ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ১ টাকাও খরচ হয়নি। মূলত ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর নানামুখী ঝাপটায় উন্নয়ন প্রকল্পে স্থবিরতা চলছে বলে মনে করা হয়।


পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) সূত্রে জানা গেছে, গত চার মাস জুলাই-অক্টোবরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) খরচ হয়েছে ২১ হাজার ৯৭ কোটি টাকা, যা এর আগের ২০২৩–২৪ অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা কম। আগের অর্থবছরের একই সময়ে খরচ হয়েছিল ৩১ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের এডিপির মোট আকার ২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৯ কোটি টাকা।


আইএমইডির নথি ঘেঁটে দেখা গেছে, গত ১৫ বছরের মধ্যে চলতি অর্থবছরেই প্রথম চার মাসে সর্বনিম্ন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছর থেকে চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছর পর্যন্ত চার মাসের হিসাবে আর কখনোই এত কম এডিপি বাস্তবায়ন হয়নি। প্রতিবারই প্রথম চার মাসে এডিপির ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মতো বাস্তবায়ন হয়েছে।


পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন; ক্ষমতার পটপরিবর্তন এবং ঠিকাদার ও প্রকল্প পরিচালকদের খুঁজে না পাওয়া—সবকিছুর প্রভাব পড়েছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে। ফলে গত দেড় দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম এডিপি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে এগোতে হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে প্রকল্প নেওয়া উচিত। ব্যাংক থেকে বিরাট অঙ্কের অর্থ ঋণ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা উচিত নয়। 


তিনি আরও বলেন, বর্তমান এডিপিতে বহু প্রকল্প রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আবার কিছু প্রকল্প শুরুর দিকে আছে, যদিও সেগুলোর তেমন একটা প্রয়োজন নেই। এ ধরনের প্রকল্প এডিপি থেকে বাদ দেওয়া উচিত। বরং বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্প ও শেষের দিকে থাকা প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত।


৩৮ মন্ত্রণালয় ১০ শতাংশ টাকা খরচ করেনি

এডিপিতে সব মিলিয়ে ৫৬ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১ হাজার ৩৫২টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত আছে। এর মধ্যে ৩৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বরাদ্দের ১০ শতাংশও খরচ করতে পারেনি গত জুলাই–অক্টোবর সময়ে। অর্থাৎ ৬৮ শতাংশ মন্ত্রণালয়ের পারফরম্যান্স দুর্বল।


এ তালিকায় থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অন্যতম হলো সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়; নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়; স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ; মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ; পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়; সেতু বিভাগ; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ; জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ; কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।


সরকার যা করছে

অন্তর্বর্তী সরকার এখন খরচ বাড়িয়ে অর্থনীতি চাঙা রাখার চেষ্টা করছে। গত সোমবার নীতিনির্ধারক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে অগ্রাধিকারমূলক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেই অনুসারের সংশোধিত এডিপিতে ওই সব প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন অগ্রাধিকার পাবে।


সরকার এখন প্রকল্প যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে অতিমূল্যায়িত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেওয়া এ ধরনের বেশ কিছু প্রকল্প এডিপি থেকে বাদ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

Sunday, November 24, 2024

Russian forces detained a British citizen who took part in the Ukraine war against Russia

    James Scott Rees Anderson

Russian troops have detained a British mercenary who was fighting against Russian forces on behalf of the Ukrainian army in Russia's Kursk region. A security-related source told the Russian state news agency RIA.

In a report published in RIA on Sunday, the source said that a British mercenary has been detained. He said his name was James Scott Rees Anderson. Collecting information from him.

A video posted yesterday on a pro-Russian channel on the messaging service Telegram showed a young man in military uniform kneeling. His hands are tied from behind. He said his name is James Scott Rees Anderson and he once served in the British Army.

Reuters could not independently verify the authenticity of the video and the RIA and other media reports. It is also not clear when the video was recorded. There was no immediate response from the British Foreign Office for comment.

According to a BBC report, the British Foreign Office said that they stand by the family of the citizen after he was detained.

The Ukrainian army launched a surprise attack on the Kursk region on the Russian border last August.

A part of the territory is still under the control of Ukrainian forces. Kiev says it has lost control of more than 40 percent of the territory it already holds. Russian troops have intensified counter-operations there.

Trump's son has made the most controversial people of all time ministers

    Donald Trump and Donald Trump Jr


President-elect Donald Trump has lined up his next cabinet with some of the most controversial figures in modern US history. But the most influential member of the Trump family in selecting these individuals is his son, Donald Trump Jr. 

Six sources with knowledge of Donald Trump Jr.'s influential role said. Sources say inexperienced and loyal people have been prioritized over more qualified people in forming the Trump administration.

Rewarding staunch loyalists is nothing new for Trump. He has long been seen relying on his family members for political advice. But there are differences in taking their advice seriously.

Not only has Trump Jr. assisted his father in moving cabinet members; From blocking the appointment of former US Secretary of State Mike Pompeo to the Cabinet, he also played a role in appointing J.D. Vance as Trump's vice president. His suggestions ranged from donors to the Republican Party to personal friends to political allies.

According to the sources, son Trump Jr. has not only assisted his father Donald Trump in moving cabinet members; From blocking the appointment of former US Secretary of State Mike Pompeo to the Cabinet, Trump Jr. had a hand in nominating his friend JD Vance as Trump's vice president.

His advice included a mix of Republican Party donors to personal friends and political allies.

Trump Jr. will join the conservatives' (Republican Party) venture capital fund '1789 Capital'. However, a source said, he will continue to host his political podcast and support Trump's politics in various ways.

Sources also said that Trump Jr. will also advise him to manage the administration after he sits in the White House. However, it is believed that he will not be involved in assisting Trump in day-to-day operations.

Trump Jr. and Trump-Vance did not respond when asked about the party's statement on the transfer of power.

The reality of the moment is that we know exactly what we are doing. Those around my father are both competent and loyal. 

Donald Trump Jr., son of President-elect Trump

Two of the Trump administration appointees -- Robert F. Kennedy Jr. and Tulsi Gabbard -- must go through a complicated Senate confirmation process to clear their appointments. Trump has decided to make Kennedy Jr. the top US health official and Gabbard as the intelligence chief.

Kennedy Jr. is an environmental activist. He spread wrong information about vaccination during the corona epidemic. Gabbard, on the other hand, is a former Democratic congressman. He suggested that Russian President Vladimir Putin had a logical basis for attacking Ukraine.

Again, when Syrian President Bashar al-Assad was carrying out a bloody crackdown on dissidents in 2017, Gabbard sparked controversy by meeting him.

Meanwhile, two sources close to Trump Jr. said he does not influence all staffing decisions and does not work full-time on the transition process or at Mar-a-Lago, Florida.

Donald Trump Jr. told pro-Trump Fox News earlier this month, "The reality at this point is, we know exactly what we're doing." Those seen around my father are both competent and loyal.'

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অটোরিকশার ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় চালক আটক

    নিহত আফসানা করিম রাচি
 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় শিক্ষার্থী আফসানা করিমের (রাচি) নিহত হওয়ার ঘটনায় চালককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে তাঁকে আশুলিয়া থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


এর আগে গতকাল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন গেরুয়া এলাকা থেকে অটোরিকশাচালক মো. আরজুকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।


প্রক্টর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯ নভেম্বর (মঙ্গলবার) দুর্ঘটনার সময় পথচারী মো. নাঈম এবং রিকশাটির যাত্রী আবু হায়াত ও নাহিদ সন্দেহভাজন চালক হিসেবে আরজুকে শনাক্ত করেন। তাঁদের মধ্যে নাঈম বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন লাইব্রেরি ভবনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিক এন্টারপ্রাইজের কর্মচারী। এ ছাড়া আবু হায়াত ও নাহিদ নির্মাণাধীন সমাজবিজ্ঞান এক্সটেনশন ভবনের নির্মাণশ্রমিক। 


গত মঙ্গলবার দুর্ঘটনার পর রিকশাটি বিক্রির চেষ্টা করেন আরজু। ক্ষতিগ্রস্ত রিকশাটির সামনের দিকে গ্লাস ছিল না ও হেডলাইট ভেঙে গিয়েছিল। সেগুলো নতুন করে মেরামত করা হয়েছে। বসার আসনের রং বদলে নীল রঙের কভার লাগানো হয়েছে। এ ছাড়া রিকশায় নতুন রঙের গন্ধ ও হুড লাগানোর আলামত পাওয়া গেছে।


ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও অনিক এন্টারপ্রাইজের কর্মচারী নাঈম বলেন, ‘আমি তখন শহীদ মিনারের পাশ দিয়ে লাইব্রেরির দিকে যাচ্ছিলাম। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার শুনে ছুটে আসি আমি। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে ৭টা ৫২ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল নিয়ে আসি। আমি রিকশাওয়ালাকে অনেকটা শনাক্ত করতে পেরেছি।’


নির্মাণশ্রমিক মো. নাহিদ ও মো. হায়াত বলেন, দুর্ঘটনার কিছু সময় আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের টারজান এলাকা থেকে আটক করা ওই রিকশায় ওঠেন তাঁরা। তাঁরা নিশ্চিত, রিকশা সেটিই। ওই রিকশায় সিট বদল করা হয়েছে। সামনের দিকে লাইটও ভেঙে গিয়েছিল, সেগুলো এখনো আছে। গাড়ির নিচের দিকে নতুন রং করা হয়েছে। হাত দিয়ে দেখেছেন, রিকশায় নতুন রং করা হয়েছে।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাশিদুল আলম বলেন, ‘আমরা যখন বিভিন্ন সূত্র ধরে তাঁকে (আরজু) খুঁজে পাই, তখন তাঁর বাম হাতে খুব ব্যথা ছিল। তাঁর গলার পাশেও আঘাতের চিহ্ন আছে। আরজু জানিয়েছেন, এটা ১৫ দিন আগের ব্যথা। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, কোন ডাক্তার দেখিয়েছেন। পরে মেডিকেলের ডাক্তারকে দেখানোর পর নিশ্চিত হয়েছি, তিনি সম্প্রতি কোথাও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। সেদিনের দুর্ঘটনা থেকেই ওই আঘাত পেয়েছেন বলে আমাদের ধারণা।’


এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার এসআই অলক কুমার বলেন, ‘তাঁকে (আরজু) সন্দেহের মূল কারণ, তাঁর মোবাইল ট্র্যাক করে দেখা গেছে, ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগরে ছিলেন। আগে ও পরের সময় সে ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলেন। আবার ঘটনার পর তিনি রিকশা বিক্রির চেষ্টা করেছেন। তাঁর কথাবার্তা অসংলগ্ন। আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাচ্ছি।’

বিভাগের দাবি নিয়ে হাস্যরস, নোয়াখালী আসলে কত বড়

    নোয়াখালীর নিঝুম দ্বীপে বনবিভাগের গড়ে তোলা জাতীয় উদ্যান
 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, টিকটকে ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ মিমের (হাস্যরসাত্মক ছবি, ভিডিও) ছড়াছড়ি। এই মিমের জনপ্রিয়তা দেশের গণ্ডি ছাড়িয়েছিল। বেশ কিছু বিদেশি টিকটকারকে দেখা গেছে ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ মিম প্রচার করতে। তাদের মধ্যে কানাডার টিকটকার বোরজাহ ইয়াংকির টিকটকটি ভাইরাল হয়েছিল। ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ নামের একটি নাটকও তৈরি হয়েছে। বিভাগের দাবি নিয়ে ট্রল বা মিমের উদ্দেশ্য যে নির্মল হাস্যরস, সে বিষয়ে কারও সন্দেহ নেই। তবে বাস্তবতা আসলে ভিন্ন। বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী, নোয়াখালী জেলা হিসেবে তেমন ছোট নয়। বরং দিন দিন এর আয়তন বাড়ছেই।


জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১৮২১ সালে নোয়াখালী জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৬৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে নোয়াখালী নামকরণ করা হয়। নতুন নতুন বাড়িঘর, শিল্পকলকারখানা স্থাপনসহ নানা কারণে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে বেশির ভাগ জেলার কৃষিজমি দিন দিন কমলেও একমাত্র নোয়াখালী জেলা জেলায় কৃষি জমির পরিমাণ বেড়ে চলেছে। সরকারি কাগজপত্রে নোয়াখালীর আয়তন ৪ হাজার ২০২ বর্গকিলোমিটার বলা হলেও বাস্তবে এর আয়তন আরও বেশি বলে মনে করেন গবেষক ও ভূতত্ত্ববিদেরা।


    নিঝুম দ্বীপের অনেক জমিতে এখন আবাদ হচ্ছে। পাশেই করা হচ্ছে বনায়ন


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত জরিপও বলছে, নোয়াখালীর আয়তন বাড়ছে। ২০২৩ সালে প্রকাশিত বিবিএসের জেলা পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯৯১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৩১ বছরে জেলার আয়তন বেড়েছে ৮৫ বর্গকিলোমিটার। 


তবে নোয়াখালীর উপকূলে নতুন জেগে ওঠা চরের হিসাব এই জরিপে নেই। সেসব যোগ করলে নোয়াখালীর আয়তন আরও অনেক বাড়বে নিশ্চিতভাবেই।


সরকারের ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং, বন বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি–বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমুদ্রে জেগে ওঠা নতুন ভূমি নিয়ে নানা কর্মসূচি পরিচালনা করছে। জানা গেছে, গত ১০০ বছরে নোয়াখালীর উপকূলের নিঝুম দ্বীপ, নলেরচর, কেয়ারিংচর, ভাসানচরসহ অনেক দ্বীপ জেগে উঠেছে। 


ভাসানচরের দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে জেগেছে ১০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের গাঙ্গুরিয়ার চর। এখানে চাষাবাদও শুরু হচ্ছে। হাতিয়ার পশ্চিমে নতুন করে জেগে উঠেছে ঢালচর, চর মোহাম্মদ আলী, চর ইউনুস, চর আউয়াল, মৌলভির চর, তমরুদ্দির চর, জাগলার চর, ইসলামচর, নঙ্গলিয়ার চর, সাহেব আলীর চর ও দক্ষিণে কালামচর।


    পর্যটকদের আকর্ষণের জন্য নিঝুম দ্বীপে তৈরি একটি স্থাপনা


জানতে চাইলে নোয়াখালীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু ইউছুফ বলেন, নোয়াখালীর দক্ষিণে নতুন অনেক চর জাগছে। তবে নতুন করে জেগে ওঠা সব কটি চর স্থায়ী না–ও হতে পারে। তবে ঠিক কী পরিমাণ নতুন চর জাগছে, সে রকম কোনো জরিপকাজ সাম্প্রতিক সময়ে হয়নি। 


এ বছর ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে কিছু ডুবোচর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই চরগুলো আগামী শুষ্ক মৌসুমে পলি জমে পুনরায় জেগে উঠতে পারে। বন বিভাগ সাধারণত যেসব চর জাগতে জাগতে ঘাস জন্ম নেয়, সেগুলোকে বনায়নের আওতায় নিয়ে থাকে।


নোয়াখালীর উপকূলে মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের উপকূলে জেগে ওঠা নতুন ভূমি এখনো স্থায়ী নয় পুরোপুরি। এসব ভূমির একাংশ এখনো জোয়ার–ভাটায় তলিয়ে যায়। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিও রয়েছে সেসব দ্বীপে। তবে সরকারের হাতে নেওয়া বনায়নসহ নানা কর্মসূচি চলছে এসব দ্বীপ ঘিরে। আগামী এক দশকে এসব নতুন ভূমি নোয়াখালীর আয়তন আরও বাড়াবে।

    নোয়াখালীর ভাসানচরে গড়ে তোলা হয়েছে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির


সম্প্রতি নিঝুম দ্বীপ–সংলগ্ন পালকির চরে গিয়ে দেখা যায়, চরটির দক্ষিণে যত দূর চোখ যায়, তার সবটাই নতুন জেগে ওঠা চর। নিঝুম দ্বীপের আশপাশের মেঘনা ও বঙ্গোপসাগর মোহনায় দূর থেকে চোখে পড়ে সবুজে ঘেরা বিভিন্ন চর। চরের বাসিন্দাদের মতে, নতুন জেগে ওঠা এসব চরের কারণে নোয়াখালীর আয়তন বেড়েই চলছে।


স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নোয়াখালী দক্ষিণে জেগে ওঠা চরগুলোকে নিয়ে সরকার পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সেগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন করা গেলে এখানে কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ তৈরি হবে। আর তাতে প্রাচীন এ জেলা পর্যটন ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে উন্নতির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।


নোয়াখালীর রাজনৈতিক নেতারা মনে করেন, অর্থনৈতিক দিক থেকে, সামাজিক দিক থেকে নোয়াখালী জেলার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ আসে এই জেলার প্রবাসী বাসিন্দাদের মাধ্যমে। 


একইভাবে এ অঞ্চলের কৃষিও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নতুন ভূমি জেগে ওঠার পর পুরোপুরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হলে নতুন করে গুরুত্ব পাবে নোয়াখালী। তাই ‘বিভাগ চাই’ নিয়ে মিম কেবল হাস্যরসের উপাদান হয়েই থাকবে।

Wednesday, November 13, 2024

Trump has nominated the posts of Secretary of State, Attorney General and Director of Intelligence

    Marco Rubio, Matt Gietz and Tulsi Gabbard (from left)


US President-elect Donald Trump has announced that he will nominate Florida Congressman Matt Gietz for the post of Attorney General. 

Matt will end armed government, protect our nation's borders, wipe out criminal organizations and restore trust and confidence in the department among Americans, Trump said on his social media platform Truth.

Tulsi Gabbard will be the director of national intelligence in the Trump administration. Trump announced the nomination of Tulsi Gabbard for the post of Director of National Intelligence.

Meanwhile, Donald Trump has chosen Marco Rubio as the US Secretary of State. Marco is a Florida state senator.

US President-elect Donald Trump has already announced the names of some key positions to shape his administration. Trump nominated two for the new positions of Attorney General and Director of National Intelligence. If the senators win the vote, they will be appointed to their respective posts.

In a statement about Marco Rubio, Trump said, "Marco is a very dignified leader." He is a very strong voice for freedom. He will be a strong ally to our nation and a good friend to our allies.

Rubio was born in Florida. In past years, he has advocated a strong US foreign policy while respecting US geopolitical rivals including China, Iran, and Cuba.

Rubio will have to face many challenges if he gets the job of Secretary of State. Because, the current world situation is more unstable and dangerous than Trump's first term.

সরকার–জামায়াতের সঙ্গে বিরোধে জড়াবে না বিএনপি

    বিএনপি
 

অন্তর্বর্তী সরকার, জামায়াতে ইসলামী ও গণ আন্দোলনের ছাত্রনেতৃত্ব—তিনটি পক্ষের সঙ্গে এই মুহূর্তে কোনো ‘বিরোধ’ বা ‘বিবাদে’ না জড়ানোর কৌশল নিয়েছে বিএনপি। আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখেই দলটির এই কৌশল।


বিএনপির নীতিনির্ধারণী নেতারা মনে করেন, সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক যেমনই হোক, তাদের হাতে রেখেই নির্বাচনী সড়কে উঠতে হবে। এ জন্য সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল বজায় থাকবে। তবে এখনই সরকারের সঙ্গে চরম বৈরিতায় যাবে না দলটি। জামায়াতের বেলায়ও একই কৌশলের কারণ, নির্বাচন।


জানা গেছে, নির্বাচন প্রশ্নে সরকারের ওপর চাপ তৈরির কৌশলের অংশ হিসেবে বিএনপি নতুন বছরে মাঠের কর্মসূচি শুরুর চিন্তা করছে। এর আগে তারা রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা প্রস্তাব জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চায়। 


এ লক্ষ্যে দলটি শিগগিরই ১০টি বিভাগীয় শহরে দলীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালা করবে। তাদের ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের মুদ্রিত পুস্তিকা সরবরাহ করবে। মাঠপর্যায়ের নেতারা এই সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে সারা দেশে গণসংযোগ করবেন। এরপরই মার্চ-এপ্রিল থেকে নির্বাচনের দাবি তুলে মাঠের কর্মসূচিতে নামতে চাইছেন বিএনপির নেতারা।


সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই ধারাবাহিক কর্মসূচির লক্ষ্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ আদায়। এ নিয়ে বিএনপির নেতারা প্রতিদিনই কথা বলছেন। ৮ নভেম্বর বিএনপি ঢাকায় যে বড় শোভাযাত্রা করেছে, এর মূল লক্ষ্যই ছিল সরকারের ওপর নির্বাচনের ব্যাপারে চাপ তৈরি করা। 


এই শোভাযাত্রার পথ ছিল নয়াপল্টন থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পর্যন্ত। এই পথে শোভাযাত্রা করে দলটির নেতৃত্ব অন্তর্বর্তী সরকারকে এই বার্তা দিলেন যে তাঁরা অবিলম্বে সংসদ নির্বাচন চান।


সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার, জামায়াত ও ছাত্র নেতৃত্ব—এই তিন পক্ষকে সামনে রেখেই বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে চলমান রাজনীতি এবং আগামী সংসদ নির্বাচন প্রশ্নে একধরনের সাবধানী বা কৌশলী হতে হচ্ছে।


তবে দিন যত যাচ্ছে, বিএনপির শীর্ষ নেতারা নির্বাচনের পথে অনেক বাধা-অস্পষ্টতা দেখছেন। তাঁদের অনেকের আশঙ্কা, অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘ সময় শাসনক্ষমতায় থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে তাঁরা গণ-অভ্যুত্থানের নায়ক ছাত্রনেতাদের কারও কারও বক্তব্য ও তৎপরতা সন্দেহের চোখে দেখছেন। 


এর সঙ্গে জামায়াতের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে ব্যাপারেও বিএনপির সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে বলে জানা গেছে। কারণ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে বিএনপির তেমন অবস্থান বা প্রভাব নেই। সেদিক থেকে বরং জামায়াত এগিয়ে রয়েছে। 


সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার, জামায়াত ও ছাত্র নেতৃত্ব—এই তিন পক্ষকে সামনে রেখেই বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে চলমান রাজনীতি এবং আগামী সংসদ নির্বাচন প্রশ্নে একধরনের সাবধানী বা কৌশলী হতে হচ্ছে।


বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বিষয়টির ব্যাখ্যা করে বলছেন, ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে দেশের প্রেক্ষাপট বদলের পর তাঁরা জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করছেন। সেটি হলো দলটি আর বিএনপির পেছনে না থেকে নিজেরাই ক্ষমতাপ্রত্যাশী হয়ে উঠেছে এবং সে অনুযায়ী জামায়াতের নেতারা কথা বলছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছেন। 


আগস্ট বিপ্লবের পরই দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের রাজনৈতিক মনোজগতের এই পরিবর্তন বিএনপির নেতৃত্বকে কৌশলী হতে বাধ্য করছে।


অবশ্য জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, দেশের স্থিতিশীলতার জন্য মৌলিক বিষয়গুলোতে বিএনপি–জামায়াতসহ সবার ঐকমত্য থাকাটা জরুরি। কারণ, রাজনৈতিক বিভাজন দেশকে সংকটে ফেলে দিতে পারে।

এরই মধ্যে সংবিধানের সংস্কার, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনের প্রশ্ন সামনে এলে জামায়াত ও বিএনপিতে ভিন্ন অবস্থান প্রকাশ পায়। জামায়াত সংবিধানের মৌলিক সংস্কার চায়। 


তারা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চেয়েছে। আর সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনের বিষয়ে দলটি নীতিগতভাবে একমত। কিন্তু এ তিনটি বিষয়েই বিএনপির অবস্থান জামায়াতের বিপরীতে।


এ ছাড়া আগামী সংসদ নির্বাচন প্রশ্নেও দল দুটির ভেতরে ভিন্ন চিন্তার কথা জানা যায়। এ বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে এমন আলোচনাও আছে যে বিএনপি নির্বাচনের জন্য যতটা উদ্‌গ্রীব, জামায়াত ততটা নয়। 


এ বিষয়ে কারও কারও ব্যাখ্যা এমন যে ভোট হলে ক্ষমতায় যাবে বিএনপি। তাই নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ততটা তাড়া নেই। বরং জামায়াত সংস্কারকেই প্রাধান্য দিচ্ছে বেশি। কারণ, প্রেক্ষাপট বদল হলে আবারও স্বৈরতন্ত্র জেঁকে বসতে পারে, এই ভয়ে। 


এ ছাড়া ৫ আগস্টের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শিক্ষা, প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ ও পদায়ন নিয়ে বিএনপি এবং জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও দখল-চাঁদাবাজি নিয়েও দ্বন্দ্ব বাধছে।


অবশ্য জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, দেশের স্থিতিশীলতার জন্য মৌলিক বিষয়গুলোতে বিএনপি–জামায়াতসহ সবার ঐকমত্য থাকাটা জরুরি। কারণ, রাজনৈতিক বিভাজন দেশকে সংকটে ফেলে দিতে পারে।


জামায়াতের সঙ্গে যাতে দ্বন্দ্ব-বিরোধ না বাড়ে, সেদিকে সতর্ক থাকার অভিমত দেন বিএনপির একাধিক নেতা। বিশেষ করে, তাঁরা নির্বাচন ও জাতীয় ঐকমত্যের প্রশ্নে যাতে কোনো দূরত্ব তৈরি না হয়, সেদিকে সজাগ থাকার কথা বলেন।

 

বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, এ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতের সঙ্গে বিরোধে না জড়াতে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। সর্বশেষ গত সোমবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির যে বৈঠক হয়, সেখানেও জামায়াতের প্রসঙ্গ ওঠে। 


জামায়াত বিএনপিকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবছে কি না, সে কথাও আলোচনায় আসে। এমন প্রেক্ষাপটে জামায়াতের সঙ্গে যাতে দ্বন্দ্ব-বিরোধ না বাড়ে, সেদিকে সতর্ক থাকার অভিমত দেন বিএনপির একাধিক নেতা। বিশেষ করে, তাঁরা নির্বাচন ও জাতীয় ঐকমত্যের প্রশ্নে যাতে কোনো দূরত্ব তৈরি না হয়, সেদিকে সজাগ থাকার কথা বলেন। 


এ জন্য জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখারও পরামর্শ দেন কয়েকজন নেতা। কারণ, নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য চায়।


যদিও জামায়াতের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তাদের মদদদাতাদের বাইরে রাখতে হলে জাতীয় ঐক্য লাগবে। কিছু বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য থাকাও প্রয়োজন।


১৭ বছরের জঞ্জাল সরানো ১৭ দিনেও সম্ভব নয়, ১৭ মাসেও সম্ভব নয়। তাই এই সরকারকে সময় দিতে হবে। তবে তাদের সব বিষয়ে সংস্কারে হাত দেওয়ার খুব বেশি প্রয়োজন নেই।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর


বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সোমবার স্থায়ী কমিটির সভায় দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ আদায়ের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপপ্রয়োগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়। সরকারের তিন মাসেও নির্বাচনের রোডম্যাপ না দেওয়ায় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা হতাশা প্রকাশ করেন। 


তাই আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের কাছে নির্বাচনের রোডম্যাপ আশা করে বিএনপি। সেটি না হলে মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে সংসদ নির্বাচন চেয়ে মাঠের কর্মসূচিতে যাবে দলটি। তবে নানা দিক বিবেচনায় আগামী দিনগুলোতে বিএনপি নরমে-গরমে এগোবে।


এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল বুধবার ঠাকুরগাঁওয়ের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৭ বছরের জঞ্জাল সরানো ১৭ দিনেও সম্ভব নয়, ১৭ মাসেও সম্ভব নয়। তাই এই সরকারকে সময় দিতে হবে। 


তবে তাদের সব বিষয়ে সংস্কারে হাত দেওয়ার খুব বেশি প্রয়োজন নেই। সেটা নির্বাচিত যে সংসদ আসবে, সেই সংসদ করবে। তিনি দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার—এই মৌলিক বিষয়গুলোতে জাতীয়ভাবে ঐক্য থাকতে হবে বলেও মন্তব্য করেন।

Saturday, November 9, 2024

Trump also won in Arizona, the Republicans won in all swing states

 

    Donald Trump 

Donald Trump, the candidate of the Republican Party, has also won in the US state of Arizona. Through this he won all seven swing states. The AP confirmed Trump's victory in Arizona on Saturday (November 9).

Through this, this candidate of the Republican Party went much ahead of his rival, the candidate and vice president of the Democratic Party, Kamala Harris.

Arizona has 11 Electoral College votes. After this vote is confirmed, Trump's collection will stand at 312. Which is much more than the 270 votes needed to become the next president. Trump's closest challenger, Democratic candidate Kamala Harris, has 226 Electoral College votes.

By winning Arizona, the Republicans regained their lost state. Because the current president Joe Biden won this state in 2020. But this is Trump's second victory in the state. He won this state in 2016.

Trump emphasized border security and the economy in his campaign. Trump campaigned against Kamala Harris, citing inflation and illegal border crossings during the Biden administration.

Earlier, Trump won six out of seven swing states namely Georgia, Pennsylvania, Michigan, Nevada, North Carolina and Wisconsin. In 2020, Biden beat Trump in all six except for North Carolina.

At that time, Biden received 306 of the electoral votes. And Trump got 232. And when Trump won the presidency in 2016, he got only 306 votes.

According to the news agency AP, Trump has so far received 74.6 million votes or 50.5 percent of the total votes. And Kamala Harris got seven crore nine lakh votes. He got 48 percent of the votes cast.

Is Musk growing distant from the Trump administration over tariffs?

         Tesla CEO Elon Musk   Elon Musk has made several posts on social media criticizing a top White House adviser for US President ...