Saturday, January 4, 2025

Failure to form coalition government, Austria's chancellor resigns

    Austrian Chancellor Karl Nehama

 

Austrian Chancellor Karl Nehama said he will step down as head of government and party leader in the next few days. He made this announcement in view of the failure of the talks between the political parties on the formation of the coalition government.

Karl Nehama said that the coalition talks between his party, the Conservative People's Party and the Social Democrats, did not reach consensus on some key issues.

Another political party known as Neos was involved in the negotiation process. The party withdrew from the talks last Friday.

The far-right Freedom Party won an unprecedented victory in Austria's general election last September. However, other political parties rejected the possibility of forming a coalition government with Freedom Party leader Herbert Kickle.

In this situation, many analysts say that because the talks to form a coalition government have failed, the conservatives may turn to talks with the far right of Austria or new elections may be held in the country.

In last September's elections, the Freedom Party got about 29 percent of the vote. Chancellor Carl Neumann's conservative People's Party was in second place. The party got 26.3 percent votes. Social Democrats are in the third position with 21 percent votes.

The Freedom Party is considered friendly to Russia. Earlier the party led the ruling coalition. The party is in favor of fresh elections. Because, since September, the popularity of the party has gradually increased in public opinion polls.

In a statement posted on social media X, the Freedom Party said that three months have already been wasted in post-election coalition talks. But this time, instead of stability, there was chaos.

Freedom Party leader Herbert Kickle has promised to build an 'Austrian fortress' to ensure the country's security and prosperity.

The party advocates a tough stance on legal issues for immigrants. The party even promoted the idea of ​​'remigration' of immigrants. This includes repatriation of aspirants.

নতুন পাঠ্যবই: গল্প, কবিতা ও ছবিতে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান

    ষষ্ঠ শ্রেণির চারুপাঠ (বাংলা) বইয়ে স্থান পেয়েছে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের এই গ্রাফিতি।
 

পঞ্চম শ্রেণি থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ও ইংরেজি বইয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে মোট আটটি বিষয় স্থান পেয়েছে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের নতুন পাঠ্যবইয়ে নানাভাবে উঠে এসেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কথা। গল্প-কবিতা, সংকলন এবং ছবি ও গ্রাফিতির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বিষয়বস্তু।


১ জানুয়ারি শুরু হয়েছে নতুন শিক্ষাবর্ষ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবার নতুন শিক্ষাক্রম স্থগিত করে ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমের আলোকে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ৪১ জন বিশেষজ্ঞ দিয়ে ৪৪১টি পাঠ্যবই পরিমার্জন করেছে। এতে অনেক বিষয়বস্তু সংযোজন-বিয়োজন হয়েছে। বেশ কিছু গদ্য, প্রবন্ধ, উপন্যাস ও কবিতা বা বিষয়বস্তু বাদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে স্থান পেয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের বিষয়বস্তুসহ নতুন কিছু গল্প-কবিতা।


এনসিটিবি সূত্রমতে, পঞ্চম শ্রেণি থেকে নবম–দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ও ইংরেজি বইয়ে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান নিয়ে মোট আটটি কনটেন্ট বা বিষয় স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া বইয়ের পেছনের পৃষ্ঠায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নানা ছবি ও গ্রাফিতি যুক্ত করা হয়েছে।


এবারের পাঠ্যবইয়ে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ইতিহাসের বইয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকাল পর্যন্ত বিষয় স্থান পেয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিষয়বস্তু সাহিত্যের অংশ হিসেবে বাংলা ও ইংরেজি বইয়ে যুক্ত করা হয়েছে

অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান, চেয়ারম্যান, এনসিটিবি

‘আমরা তাঁদের কখনো ভুলব না’

পঞ্চম শ্রেণির আমার বাংলা বইয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর লেখা ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ শীর্ষক একটি লেখা স্থান পেয়েছে। এতে আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর আগে ইংরেজদের নির্যাতন থেকে এ দেশের কৃষককে বাঁচাতে গিয়ে যুদ্ধ করে শহীদ মীর নিসার আলী তিতুমীর থেকে শুরু করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের কথা স্মরণ করা হয়েছে। এই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ ও শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর প্রতিকৃতিও স্থান পেয়েছে লেখায়।


   পঞ্চম শ্রেণির বাংলা বইয়ে শহীদ আবু সাঈদ


লেখাটিতে ইতিপূর্বে নানা ত্যাগতিতিক্ষার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, ‘এত ত্যাগের পরও এ দেশের মানুষ অধিকার পায় না, বৈষম্য কমে না। অধিকারের দাবি ও বৈষম্যের কথা বলতে গিয়ে এ দেশের শিক্ষার্থীরা তাই ২০২৪ সালে আবার রাস্তায় নামে। সরকারি বাহিনী নির্মমভাবে সেই আন্দোলন দমন করতে চায়। পুলিশের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রংপুরে ছাত্রনেতা আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়ান। পুলিশ তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করে। এতে আন্দোলন সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সারা দেশের মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। বিশাল এক গণ-অভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়। ঢাকার উত্তরায় শিক্ষার্থী মীর মুগ্ধ আন্দোলনরত সবাইকে পানি বিতরণ করতে করতে নিহত হন। নিহত হন নাফিজ, নাফিসা, আনাসসহ অগণিত প্রাণ। মায়ের কোলের শিশু, বাবার সাথে খেলতে থাকা শিশু, রিকশাওয়ালা, শ্রমিক, কৃষক, ফেরিওয়ালা, চাকুরিজীবী, মা, পথচারী কেউ বাদ যান না। সারা দেশে হত্যা করা হয় হাজারো মানুষকে। আহত হন অসংখ্য মানুষ। তাঁরা সবাই একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য রক্ত দিয়েছেন। সবার অধিকার থাকবে এবং সবাই মিলেমিশে বাস করতে পারবে—এমন একটা দেশের জন্যই তাঁরা শহিদ হয়েছেন। আমরা তাঁদের কখনো ভুলব না।’

   সপ্তম শ্রেণির ‘ইংলিশ ফর টুডে’ বইয়ে সেজান ও হান্নানের নাম এসেছে


কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান

ষষ্ঠ শ্রেণির চারুপাঠ বইয়ে দুটি গদ্য যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের ভাষা’ নামে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ওপর লেখা একটি সংকলিত লেখা রয়েছে। এই লেখায় ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের ছবি যে আন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছিল, সেই সব কথা তুলে ধরা হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সারা দেশের দেয়ালে দেয়ালে অসংখ্য গ্রাফিতি আঁকার কথাও আছে এই লেখায়।


কিছু কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও গ্রাফিতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তাই আমাদের মনে রাখতে হবে, অন্যায়ের প্রতিবাদ শুধু লিখে বা কথা বলে নয়; ছবি এঁকে, গান গেয়ে, এমনকি নৃত্য করেও করা যায়। এ দেশের মানুষ যুগে যুগে নানা আন্দোলন-সংগ্রামে এমন প্রতিবাদ করেছেন। এসব কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার তাই আমাদের ইতিহাসের সম্পদ। এগুলো আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখবে, নতুন দিনের নতুন প্রয়োজনে আমাদের নতুনভাবে জাগিয়ে তুলবে।’


নতুন কবিতা সিঁথি, স্থান পেলেন দুই তরুণ র‍্যাপার

সপ্তম শ্রেণির ‘সপ্তবর্ণা’ বইয়ে হাসান রোবায়েতের লেখা ‘সিঁথি’ নামে একটি কবিতা যুক্ত হয়েছে। এই কবিতা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর লেখা। কবিতাটি এমন, ‘ভাই মরল রংপুরে সেই/ রংপুরই তো বাংলাদেশ/  নুসরাতেরা আগুন দিল/ দোজখ যেন ছড়ায় কেশ।...চিরকালই স্বাধীনতা/ আসে এমন রীতিতে/ কত রক্ত লাইগা আছে/ বাংলাদেশের সিঁথিতে।’


সপ্তম শ্রেণির ‘ইংলিশ ফর টুডে’ বইয়ে আলোচিত দুই তরুণ র‍্যাপার সেজান ও হান্নানের নাম এসেছে। বইয়ের ‘আ নিউ জেনারেশন’ নামে একটি পাঠে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাঁদের গানের ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে।


গণ-অভ্যুত্থানে নারীদের ভূমিকা

অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের ওপর সংকলিত লেখা ‘গণ অভ্যুত্থানের কথা’ স্থান পেয়েছে। এতে উল্লেখ রয়েছে এ দেশের বড় তিনটি গণ-অভ্যুত্থানের কথা। এগুলো হলো উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালে হওয়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থান।


লেখাটিতে গণ-অভ্যুত্থানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়ে বলা হয় ‘মনে রাখতে হবে, অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন হলেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হয়ে যায় না। এ জন্য আমাদের অনেক দায়িত্ব পালন করতে হবে। অনেক কাজ করতে হবে। সবাইকে পড়াশোনা করে মানুষ হতে হবে। দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। সমাজ থেকে সব ধরনের অন্যায় ও বৈষম্য দূর করতে হবে। একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তবেই ২০২৪–এর শহিদ ও আহতদের আত্মদান সার্থক হবে।’


অষ্টম শ্রেণির ইংলিশ ফর টুডে বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানে নারীর ভূমিকা নিয়ে ‘উইমেনস রোল ইন আপরাইজিং’ শীর্ষক একটি অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে। এতে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারীদের ভূমিকার কথা রয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া নারীদের ছবিও আছে এই অধ্যায়ে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করে পুলিশের একটি বহনকারী ভ্যান একজন নারী কীভাবে আটকে দিয়েছিলেন, সেই ছবিও স্থান পেয়েছে। গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন মায়ের ডাকের কথাও আছে এই অধ্যায়ে।


‘আমাদের নতুন গৌরবগাথা’

   পঞ্চম শ্রেণির বাংলা বইয়ে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ


নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ নামের পাঠ্যবইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ওপর লেখা ‘আমাদের নতুন গৌরবগাথা’ নামে একটি সংকলিত প্রবন্ধ যুক্ত হয়েছে। এতে সরকারি চাকরিতে কোটা আন্দোলনের শুরু থেকে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের শাসনামলের দুর্নীতি, জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান লুট হওয়াসহ নানা অনিয়মের চিত্রও বর্ণনা করা হয়।


অধ্যায়টির শেষের অংশে বলা হয়, ‘প্রকৃতপক্ষে অভ্যুত্থানে বিজয় একটি সুযোগ—সমস্ত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ, নতুনভাবে দেশ গড়ার সুযোগ। অতীতে এমন সুযোগ এ দেশে আরও কয়েকবার এসেছে; কিন্তু আমরা তাকে ব্যবহার করতে পারিনি, ধরে রাখতে পারিনি। এবারের সুযোগকে তাই আমাদের রক্ষা করতে হবে।...আমাদের মনে রাখতে হবে, হাজারো শহিদের আত্মদানে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ঘোষিত হয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে। সেই প্রত্যয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে ভিন্নমতের প্রতি, ভিন্ন বিশ্বাসের প্রতি, ভিন্ন রীতি ও সংস্কৃতির প্রতি সহিষ্ণুতা দেখানোই গণ-অভ্যুত্থানের শিক্ষা। আর সেই শিক্ষা গ্রহণ করলেই আমাদের নতুন বিজয় সত্যিকারের গৌরবগাথা হয়ে উঠবে।’


নবম-দশম শ্রেণির ‘ইংলিশ ফর টুডে’ বইয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে লেখা ‘গ্রাফিতি’ নামে একটি অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। এর শুরুতে রাজধানীর মেট্রোরেলের পিলারে আঁকা ‘হামাক বেটাক মারলু কেনে?’ শীর্ষক একটি প্রতিবাদী লেখা যুক্ত রয়েছে। শহীদ নূর হোসেনের বুকে লেখা ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’ শীর্ষক ঐতিহাসিক ছবির অনুকরণে আঁকা একটি গ্রাফিতিও রয়েছে এই অধ্যায়ে।


এভাবে নতুন পাঠ্যবইয়ে গল্প-কবিতা, ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নানা বিষয়।


জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, এবারের পাঠ্যবইয়ে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ইতিহাসের বইয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকাল পর্যন্ত বিষয় স্থান পেয়েছে। তাই ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিষয়বস্তু সাহিত্যের অংশ হিসেবে বাংলা ও ইংরেজি বইয়ে যুক্ত করা হয়েছে।

লক্ষণ রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়ার, শনাক্তের ব্যবস্থা নেই

    ঠান্ডাজনিত ডায়রিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে অভিভাবকেরা আসছেন রাজধানীর মহাখালীর আইসিডিডিআরবি হাসপাতালে। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮৫০ রোগী আসছে হাসপাতালটিতে। শিশুদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসক-নার্সরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত শুক্রবারের ছবি
 

সারা দেশের জেলা সদর ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া নিয়ে অনেক শিশু ভর্তি হচ্ছে। লক্ষণ দেখে চিকিৎসকেরা বলছেন, অনেক শিশু রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। কিন্তু এসব হাসপাতালে রোটাভাইরাস শনাক্তের ব্যবস্থা নেই।


কোনো কোনো হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের এই তীব্র শীতেও মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে।


না বুঝে ভুলভাবে তৈরি করা স্যালাইন শিশুকে খাওয়ানো হয়েছে—এমন নজিরও আছে। বরিশাল, কুমিল্লা, ময়মনসিংহের সদর ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে এমন চিত্র পেয়েছেন প্রতিনিধিরা।


সারা দেশে শীতকালীন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজারের মতো মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে শিশু বেশি। 


গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২ হাজার ১৯২ জন ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই হিসাবের মধ্যে আইসিডিডিআরবি, মহাখালী ও মতলব হাসপাতালের তথ্য নেই।


রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়া মূলত ছোট বাচ্চাদের হয়ে থাকে। শুরুতে অল্প জ্বর, বমি থাকে। তারপর বারবার হলুদ রঙের পাতলা পায়খানা হয়। অনেক সময় পায়খানার জায়গার আশপাশে লালচে হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে শিশুরা ব্যথা অনুভব করে। টিকা দিয়ে রোটাভাইরাস প্রতিরোধ করা যেতে পারে।


ভুল নিয়মে স্যালাইন খাওয়ানোয় বিপদ

গত ৩০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৯ মাস বয়সী শিশু রাফসানকে। চিকিৎসকেরা বলছেন, ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর অল্প পরিমাণ পানিতে এক প্যাকেট স্যালাইন গুলে শিশুটিকে খাওয়ানো হয়। ঘনত্ব বেশি হওয়ায় শিশুটির শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে তার কিডনি কার্যকারিতা হারিয়েছে। শিশুটির শরীর ফুলে গেছে।


ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার চকরাধাকানাই গ্রামের এই শিশুকে বাঁচিয়ে রাখাই এখন কঠিন হয়ে গেছে। বাবা শাহীন ইসলাম গাজীপুরের মৌচাক এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন।


শিশুটির মা রুবি আক্তার বলেন, আগে জানলে সন্তানের এত বড় ক্ষতি হতো না।


ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের ৩১ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের তিনটি ইউনিটে প্রতিদিন রোগী ভর্তি করা হয়। শীতের তীব্রতা বাড়ায় ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগীর পরিমাণ বাড়ছে। 


গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত সাত দিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৩৫০ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ বছর বয়সের বেশি শিশু ছিল মাত্র তিনটি। এই সাত দিনে শিশু ওয়ার্ডে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।


শিশু বিভাগে হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার মাজহারুল আমিন বলেন, ‘আমরা রোগীর লক্ষণ ও ইতিহাস শুনে বুঝতে পারি সেটা রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়া কিনা। এটি পরীক্ষার সুযোগ থাকলেও ময়মনসিংহে নেই। রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়ায় শিশুরা পানিস্বল্পতায় ভুগে। অভিভাবকেরা নিয়ম অনুযায়ী স্যালাইন না খাওয়ার ফলে সমস্যা বাড়ে।’


শিশু বিভাগের তিনটি ইউনিট ঘুরে দেখা গেছে রোগীতে ঠাসা। বারান্দা, লিফটের সামনেসহ সর্বত্র শিশুদের নিয়ে উৎকণ্ঠায় সময় পার করছেন অভিভাবকেরা।


ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জামশেদ আলম বলেন, ‘রোটাভাইরাস শনাক্তের পদ্ধতি স্থানীয়ভাবে সহজ নয়। আমরা নমুনা সংগ্রহ করে আইসিডিডিআরবিতে পাঠাই। এটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।’


রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়া মূলত ছোট বাচ্চাদের হয়ে থাকে। শুরুতে অল্প জ্বর, বমি থাকে। এরপর বারবার হলুদ রঙের পাতলা পায়খানা হয়। অনেক সময় পায়খানার জায়গার আশপাশে লালচে হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে শিশুরা ব্যথা অনুভব করে।

 

১-৩ বছরের শিশুরা বেশি আক্রান্ত

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগ সূত্র জানায়, ডায়রিয়াজনিত সমস্যায় গত শুক্রবার পর্যন্ত সাত দিনে শিশু বিভাগে ভর্তি হয়েছে ৪৪ শিশু। এর মধ্যে ৩৭ জনের বয়স এক থেকে তিন বছরের মধ্যে। এই শিশুদের প্রায় সবাই রোটাভাইরাসের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। তবে শিশু মৃত্যুর কোনো ঘটনা নেই। পরীক্ষার মাধ্যমে রোটাভাইরাস শনাক্তের ব্যবস্থা এখানেও নেই।


কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান মিয়া মনজুর আ‏হমেদ বলেন, প্রাপ্তবয়স্করা মূলত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন খাবারে বিষক্রিয়া থেকে। আর শিশুরা প্রায় সবাই আক্রান্ত হচ্ছে ভাইরাসের কারণে। 


ওরস্যালাইন খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুদের পানিশূন্যতা পূরণ করা হয়। তবে সেটিও হতে হবে পরিমাণমতো, বেশিও না, আবার কমও না। পরিমাণটা কমবেশি হলেই সমস্যা হবে। এই ডায়রিয়া সাধারণত তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত থাকে। তারপর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এ সময়ে শিশুদের খাবার স্বাভাবিক রাখতে হবে।


ডায়রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা, অবশ্যই স্যালাইন খাওয়াতে হবে। তবে এই স্যালাইন সঠিক নিয়মে তৈরি হতে হবে, সঠিক নিয়মে খাওয়াতে হবে। কম বয়সী শিশুদের মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো অব্যাহত রাখতে হবে। শিশুকে বাটিতে–চামচে করে স্যালাইন খাওয়াতে হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক আবিদ হোসেন মোল্লা


লবণের ঘাটতি পূরণেই মূল চিকিৎসা

শুক্রবার দুপুরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, ২০টি শয্যা থাকলেও ভর্তি আছে ৩৮ শিশু। তাদের সবার বয়স পাঁচ বছরের নিচে। এসব শিশুর অনেককে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর এলাকার ১৮ মাস বয়সী নাফিজা দুই দিন ধরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। পরে শুক্রবার এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। শিশুটির মা সাথী আক্তার বলেন, হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দিয়েছে, নাপা ও অ্যান্টিবায়োটিক অ্যারিত্রোমাইসিন চলছে।


অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার প্রসঙ্গে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান উত্তম কুমার সাহা প্রথম আলোকে বলেন, অধিকাংশ ডায়রিয়া রোগীর ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু তাঁদের হাসপাতালে যে শিশুরা ডায়রিয়া নিয়ে আসে, তাদের বেশির ভাগই আক্রান্ত হওয়ার তিন-চার দিন পর আসে। তারা বেশির ভাগই খারাপ ব্যাকটেরিয়ার কারণে আক্রান্ত হয়। সে বিবেচনায় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়।


প্রাপ্তবয়স্করা মূলত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন খাবারে বিষক্রিয়া থেকে। আর শিশুরা প্রায় সবাই আক্রান্ত হচ্ছে ভাইরাসের কারণে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান মিয়া মনজুর আ‏হমেদ

চিকিৎসকেরা বলছেন, ডায়রিয়ায় শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যাওয়ায় পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইটের অসমতা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসা প্রটোকল অনুযায়ী, পানিশূন্যতা ও লবণের ঘাটতি পূরণ করাই এর মূল চিকিৎসা। এটা পূরণে খাওয়ার স্যালাইন কিংবা আইভি স্যালাইনই মূল চিকিৎসা।


ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, ডায়রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা, অবশ্যই স্যালাইন খাওয়াতে হবে। তবে এই স্যালাইন সঠিক নিয়মে তৈরি হতে হবে, সঠিক নিয়মে খাওয়াতে হবে। কম বয়সী শিশুদের মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো অব্যাহত রাখতে হবে। শিশুকে বাটিতে–চামচে করে স্যালাইন খাওয়াতে হবে।

Thursday, January 2, 2025

Attempts to arrest South Korea's impeached president are thwarted by protesters and security forces

    Investigators are seen entering the president's residence in South Korea

 

The residence of impeached South Korean President Yoon Suk-yeol has been cordoned off to arrest him. However, local media reported that the security forces are trying to resist them.

His supporters were seen protesting in front of Yeol's residence. Yole supporters gathered in front of the President's residence with posters and banners. They are chanting slogans against Yeol's arrest.

The country's corruption investigation office says it has begun executing an arrest warrant against President Yoon Suk-yeol. Officers of the Bureau of Investigation and the police were seen entering Yeol's residence.

AFP journalists at the scene said that investigative staff including Senior Counsel Lee Dae Huan are trying to enter the residence after passing through the tight security fence. According to South Korea's Yonhap news agency, they were repelled by a group of soldiers inside Yeol's residence.

It is unclear whether the president's security personnel will comply with investigators' warrants. Presidential security personnel have earlier resisted police attempts to enter Yole's residence.

Yeol's lawyer Eon Cap Keun said the execution of the illegal warrant was not legal.

An AFP reporter at the scene said that several police buses and several hundred policemen were seen stationed at the president's residence.

On Thursday, YOL supporters clashed with anti-YOL protesters. 2 thousand 700 police and 135 police buses have been deployed at the spot to keep the situation under control.

    Police officers gather outside the corruption investigation office to await the South Korean president

According to South Korean media reports, investigating officers want to take Yeol to their office in Gwacheon, near Seoul, for questioning after her arrest. According to the terms of the arrest warrant, he can be kept there for 48 hours. Another warrant will be required to arrest him.

A Seoul court issued a warrant to search Yeol's residence, an investigating official told AFP.

দেশের ৬ স্থানে শৈত্যপ্রবাহ, কুয়াশা কমার সম্ভাবনা কম আজও

    বছরের প্রথম দিন সকালে রাজধানীতে ছিল কুয়াশা। দিয়াবাড়ি, উত্তরা, ঢাকা, ১ জানুয়ারি ২০২৫


ঘন কুয়াশার দাপট আজও রয়েছে দেশজুড়ে। আজ শুক্রবার ছুটির দিন সকালে রাজধানীর আকাশ গতকাল বৃহস্পতিবারের মতোই কুয়াশায় ঢেকে আছে। শীতের অনুভূতিও বেড়েছে। এর মধ্যে দেশের অন্তত ছয় স্থানে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, আজ সারা দিনে কুয়াশা কমার তেমন লক্ষণ নেই।


গত ৩১ ডিসেম্বর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। কমে গেছে তাপমাত্রা আর তাতে বেড়েছে শীতের প্রকোপ। তবে রাজধানীসহ দেশের কয়েকটি স্থানে কুয়াশা পড়তে শুরু করে গতকাল।


রাজধানীতে আজকের তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে গতকাল থেকে রোদ না ওঠায় শীতের অনুভূতি আজ অনেকটাই বেড়েছে।


গতকাল বিশেষ করে দেশের উত্তর জনপদে এমন কুয়াশা পড়ে যে দিনেও যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। রাজধানীতে এদিন একবারের জন্য সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।


আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান আজ সকালে বলেন, আজও রাজধানীতে কুয়াশা কেটে সূর্যের মুখ দেখার সম্ভাবনা কম। তবে আগামীকাল শনিবার থেকে তাপমাত্রা খানিকটা বাড়তে পারে।


এদিকে ঘন কুয়াশার মধ্যে আজ দেশের কয়েকটি স্থানে শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। এর মধ্যে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সকাল ৯টা পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জনপদ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। এ শহরে তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 


উত্তরের আরেক জনপদ কুড়িগ্রামের রাজারহাটের তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আজকের তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৬, রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৮, নওগাঁর বদলগাছীতে ১০ ডিগ্রি এবং পাবনার ঈশ্বরদীতে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যদি ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামে, তবে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।


আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, গতকাল থেকে যে ঘন কুয়াশা বিভিন্ন স্থানে পড়তে শুরু করেছে, একে বলে পরিচালন কুয়াশা। ভারতের দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে এক দীর্ঘ কুয়াশার চাদর বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। গত বছরের জানুয়ারিতেও দেশে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে কুয়াশা পড়েছিল।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার

    ভূমিকম্প


রাজধানী ঢাকা ও উত্তর-পূর্বের সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ শুক্রবার সকালে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবায়েত কবীর আজ সকালে বলেন, আজ সকাল ১০টা ৩২ মিনিটে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫। 

আবহাওয়াবিদ রুবায়েত কবীর বলেন, ঢাকা থেকে ৪৮২ কিলোমিটার দূরে মিয়ানমারের হোমালিন নামের একটি স্থান এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। এর প্রভাবে রাজধানীসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট এবং এর আশপাশের কিছু এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।

Is Musk growing distant from the Trump administration over tariffs?

         Tesla CEO Elon Musk   Elon Musk has made several posts on social media criticizing a top White House adviser for US President ...