Saturday, September 28, 2024

Iran has asked for an emergency meeting of the Security Council to protest the killing of Nasrullah

 

    Amir Saeed Eravani, Iran's ambassador to the United Nations

Iran has requested an emergency meeting of the UN Security Council to protest the killing of Hassan Nasrallah, head of Lebanon's pro-Shiite political party and armed organization Hezbollah.

Iran called on the UN Security Council on Saturday. Nasrullah was killed in an Israeli attack on Friday night. He led Hezbollah for more than three decades.

Iran has sent a letter asking for an urgent meeting of the Security Council. A copy of the letter sent to the Security Council was obtained by AFP.

The letter was given by Amir Saeed Eravani, Iran's ambassador to the United Nations. The letter calls on the Security Council to take immediate and decisive action to stop Israel's ongoing aggression, to prevent the region from being dragged into full-scale war.

In a letter to the 15-member Security Council, Iran's Ambassador Eravani warned against any attack on his country's diplomatic premises and representatives, the BBC reported. Said, Tehran will not tolerate such aggression.

In the letter, Iravani said Iran will not hesitate to exercise its inherent rights under international law to protect its vital national and security interests.

Iran has been supporting Hezbollah financially and militarily for years. Earlier, Iran's supreme leader Ayatollah Ali Khamenei warned that the killing of Nasrullah will be avenged.

রংপুরে বৃষ্টি হয়নি, তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপরে

 

    

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে আজ রোববার তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি না হলেও তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ছয়টায় পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পরে পানি বাড়তে থাকে। 


রাত ১১টায় পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। আজ সকাল ছয়টায় পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।


পাউবো বলছে, রংপুরের কাউনিয়ায় পানি বাড়লেও লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজে সেই অনুপাতে পানি বাড়েনি। সেখানে আজ সকাল ছয়টায় বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।


কাউনিয়া এলাকায় নদীর পানি বাড়ায় তিস্তার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলে কিছুটা পানি বেড়েছে। এসব এলাকা প্লাবিত হলেও আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা নদীর পানির উচ্চতা কমে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে, পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এমনটাই বলছে।


এদিকে বৃষ্টি না হলেও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পানি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রংপুরের তিস্তা তীরবর্তী তিন উপজেলা কাউনিয়া, পীরগাছা ও গঙ্গাচড়া এলাকার নদীপারের মানুষ সতর্ক অবস্থায় আছেন।


কাউনিয়ার নদীতীরবর্তী এলাকা বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আনসার আলী বলেন, ‘রাতের মধ্যে পানি বেড়েছে। তবে কোনো বৃষ্টি হয়নি। এরপরও নদীপারের মানুষজনকে সাবধানে থাকতে বলা হয়েছে।’


গঙ্গাচড়ার লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহেল হাদী বলেন, পানি বাড়া-কমা নিয়ে নদীপারের মানুষের অভিজ্ঞতা আছে। চরাঞ্চলে সামান্য পানি উঠলেও ভয়ের কিছু নেই। এই পানি নেমেও যাবে।


পাউবোর রংপুর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, পানি বাড়লেও এই পানি নেমে যাবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নদীর পানির সমতল হ্রাস পেয়ে পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা সরিয়েছেন এস আলম

 

    

বেসরকারি খাতে পরিচালিত ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে ঋণের নামে ১৮ হাজার কোটি টাকা এস আলম গ্রুপ একাই নিয়েছে; যা ব্যাংকটির মোট ঋণের ৬৪ শতাংশ। এসব ঋণ নেওয়া হয়েছে কাল্পনিক লেনদেনের মাধ্যমে, যার জামানতও নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনে এসব বিষয় উঠে এসেছে। 


আবার ব্যাংকটির মোট ঋণের ৪২ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়ছে বলে ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে তারা জানিয়েছে, খেলাপি ঋণ ৪ শতাংশের কম।


নানা অনিয়মের কারণে আর্থিক বিপর্যয়ে পড়া এই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এক মাস আগে পুনর্গঠন করে এস আলমমুক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকটিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পাঁচজন স্বতন্ত্র পরিচালক। এরপরও ব্যাংকটিতে এস আলমের প্রভাব কমেনি। ফলে পরিচালকেরা প্রকৃত চিত্র জানতে পারছেন না। 


ব্যাংকটি স্বয়ংক্রিয় তথ্যভান্ডার থেকে এস আলমসহ কিছু প্রতিষ্ঠানের ঋণ ও লেনদেনের তথ্য সরিয়ে ফেলেছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। ফলে প্রকৃত তথ্য বের করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা এস আলমের ঋণ ও আমানতের বিষয়ে তথ্য চেয়ে ঠিকমতো পাচ্ছেন না। ফলে ব্যাংকটির প্রকৃত চিত্র বের করতে পারছেন না। এস আলমের পক্ষে ব্যাংকটিতে ভূমিকা রাখছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোকাম্মেল হক চৌধুরী। 


২০২০ সাল থেকে তিনি ব্যাংকটির এমডি। এর আগে তিনি এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম নিজেই।


ব্যাংক দখল, অর্থ লুটপাট ও অর্থ পাচারে সাইফুল আলমের সহযোগী হিসেবে পরিচিত মোকাম্মেল হক চৌধুরী বিদায়ী সরকারেরও ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এই তালিকায় আরও আছেন এস আলমের ছেলে আহসানুল আলম ও জামাতা বেলাল আহমেদ। তাঁরা দুজনই ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান-পরিচালক ছিলেন। 


পরে আহসানুল আলম ইসলামী ব্যাংক ও বেলাল আহমেদ সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হন। এসব ব্যাংকও এস আলমের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা হয়েছে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কে মুজেরী এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, এই ব্যাংক ডুবছিল, তা আগে থেকেই সবাই জেনেছিল। এখন পর্ষদ পরিবর্তন হলেই উন্নতি হবে, তা বলা যাবে না। পরবর্তী ধাপ হিসেবে কী করা যায়, তা এখনই ঠিক করতে হবে। 


ব্যাংক একীভূত করা, মূলধন জোগান দেওয়া বা অন্য কোনো ব্যবস্থা করা যেতে পারে। ব্যাংকটি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁদের বিদেশযাত্রা আটকে দেওয়া যায়। তাহলে তাঁদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যাবে, জড়িত হলে বিচারের আওতায় নিতে সুবিধা হবে।


কার ব্যাংক, চালিয়েছে কে

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে ২০১২ সালে ৯টি ব্যাংক অনুমোদন হয়। এর সব কটিই রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাংক একটি। 


ব্যাংকটির উদ্যোক্তাদের পেছনে শুরু থেকে এস আলম গ্রুপ থাকলেও সামনে রাখা হয় জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ও মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলুকে। তখন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি এক জোট হয়ে সরকারে ছিল। 


২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠার শুরুতেই ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হন এস আলমের ভাই শহীদুল আলম। এতে ব্যাংকের পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে যায় এস আলম গ্রুপের কাছে। ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) মোল্লা ফজলে আকবর। 


বিভিন্ন সময় চেয়ারম্যান ও পরিচালক ছিলেন সাইফুল আলমের ভাই রাশেদুল আলম, ওসমান গনি, সাইফুল আলমের ছেলে আহসানুল আলম ও জামাতা বেলাল আহমেদ। এ ছাড়া হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, জিয়াউদ্দিন বাবলু ও তাঁর স্ত্রী মেহেজুবেন্নেসা রহমানও পর্ষদে ছিলেন। 


পর্ষদ বিলুপ্তির আগে এস আলম গ্রুপের পক্ষে ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন মো. সেলিম উদ্দিন, তিনি আগে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন।


গত ২৭ আগস্ট আগে পর্ষদ বিলুপ্ত করে নতুন পর্ষদে চেয়ারম্যান করা হয় এক্সিম ব্যাংকের সাবেক এমডি মু. ফরীদ উদ্দিন আহমদকে। 


তাঁর সঙ্গে থাকা অপর চার স্বতন্ত্র পরিচালক হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জাহীদ ও হিসাববিদ শেখ জাহিদুল ইসলাম।


অনিয়মের যত ধরন

২০১৩ সালে যাত্রার পর বেসরকারি এই ব্যাংক সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানতের দিকে নজর দেয়। এরপর নামসর্বস্ব ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে ঋণের নামে টাকা তুলে নেওয়া হয়। জনবল নিয়োগে এককভাবে চট্টগ্রামের পটিয়ার ব্যক্তিরা গুরুত্ব পান। 


পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় ২০২০ সালে ব্যাংকটির এমডি হিসেবে মোকাম্মেল হক চৌধুরী যোগ দেওয়ার পর। তিনিও চট্টগ্রামের বাসিন্দা ও এস আলম পরিবারের আত্মীয়।


২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখার ভল্ট পরিদর্শনে গিয়ে ঘোষণার চেয়ে কম টাকা থাকার বিষয়টি দেখতে পান। কাগজপত্রে ওই শাখার ভল্টে যে পরিমাণ টাকা থাকার তথ্য রয়েছে, বাস্তবে তার চেয়ে প্রায় ১৯ কোটি টাকা কম পান। 


নিয়ম অনুযায়ী, ভল্টের টাকার গরমিল থাকলে তা আইনি ব্যবস্থা নিতে হয়। অথচ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি তখনকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরও কোনো ব্যবস্থা নেননি। তখন পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদের সঙ্গেও ব্যাংকটির এমডি মোকাম্মেল হক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠতা ছিল।


বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২১ সালভিত্তিক ঋণের তথ্য পর্যালোচনা করে ইউনিয়ন ব্যাংককে চিঠি দিয়ে জানায়, ব্যাংকটির বিতরণ করা ঋণের ১৮ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা খেলাপি হওয়ার যোগ্য, যা ব্যাংকটির মোট ঋণের ৯৫ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে যত ঋণ বিতরণ করেছে, তার সিংহভাগই খেলাপি বা অনিয়মযোগ্য। 


তখন পরিদর্শনে উঠে আসে শুধু ট্রেড লাইসেন্সের ভিত্তিতে কোম্পানি গঠন করে ঋণের বড় অংশই বের করে নিয়েছে প্রায় ৩০০ প্রতিষ্ঠান। 


আবার অনেক ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সও ছিল না। কাগুজে এসব কোম্পানিকে দেওয়া ঋণের বেশির ভাগেরই খোঁজ মিলছে না এখন। ফলে এসব ঋণ আদায়ও হচ্ছে না। 


রাজধানীর পান্থপথ, গুলশান, বনানী, দিলকুশা, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, খাতুনগঞ্জসহ আরও কয়েকটি শাখার মাধ্যমে এই অর্থ বের করে নেওয়া হয়। এসব ঋণের যথাযথ নথিপত্রও ব্যাংকের কাছে নেই। অনেক ক্ষেত্রে ঋণ অনুমোদন ছাড়া বিতরণ করা হয়েছে।


এরপরও ইউনিয়ন ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ৪২৮ কোটি টাকা উত্তোলন করার সুযোগ দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ব্যাংকটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তও হয়। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এই ব্যাংকের শেয়ারের দাম এখন ৭ টাকা।


আর্থিক খাতের বহুল আলোচিত ব্যক্তি প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা বের করতে অসংখ্য কাগুজে কোম্পানি গঠন করেছিলেন। তবে সেসব কোম্পানি যৌথ মূলধন ও কোম্পানিসমূহের পরিদপ্তরে (আরজেএসসি) নিবন্ধিত ছিল। 


কিন্তু ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে যেসব কোম্পানির নামে ঋণ বের করে নেওয়া হয়েছে, সেসব কোম্পানির অস্তিত্ব বলতে শুধু ট্রেড লাইসেন্স। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশির ভাগেরই কোনো অস্তিত্ব নেই। এভাবে ব্যাংকটি থেকে নানা উপায়ে অর্থ বের করে নেওয়া হয়।


ব্যাংকটির একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে জাতীয় নির্বাচনের আগে অনেক প্রার্থীকে নগদ টাকা দেওয়া হয়েছে। তারকা থেকে খেলোয়াড়—অনেকেই টাকা নেওয়ার তালিকায় ছিলেন। অনেক ক্ষেত্রে তাঁদের নামে ঋণ তৈরি করে টাকা দেওয়া হয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর এসব নথি সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে।


ঋণের ৬৫% নিয়েছে এস আলম গ্রুপ

গত ২৭ আগস্ট পর্ষদ পুনর্গঠনের পর এস আলম নামে ও বেনামে কত টাকা ঋণ নিয়েছে, তা জানতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি এস আলমের নামে ও বেনামে কোনো আমানত থাকলে তা উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এ ছাড়া জব্দ করা হয় ব্যাংকটিতে থাকা এস আলমের নামে ও বেনামি সব শেয়ার।


ব্যাংকটির গত ৩১ আগস্টভিত্তিক অভ্যন্তরীণ এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তখন ঋণ ছিল ২৭ হাজার ৭৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে ১১ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা বা ৪২ শতাংশ। 


এর মধ্যে ৯ হাজার ২৬২ কোটি টাকা খেলাপি হয়েছে ক্ষতিজনক মানে, যা আদায় করা বেশ কঠিন। যদিও ব্যাংকটি গত জুনে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানিয়েছে, খেলাপি ঋণ মাত্র ১ হাজার ৪৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪ শতাংশের কম।


২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল ব্যাংকটির এমডির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জানায়, ‘ব্যাংকে এস আলম গ্রুপের ঋণ প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। যার বেশির ভাগই কাল্পনিক লেনদেন ও এসব ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত নেই।’ ফলে ২৭ হাজার ৭৬৭ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ৬৫ শতাংশই এস আলম গ্রুপের।


ব্যাংকটির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নতুন চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলেছেন, ‘গত ১৭ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইউনিয়ন ব্যাংকে এস আলমের নামে ও বেনামে ঋণের তথ্য ও নথিপত্র চায়। এটা জানতে আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ই-মেইল করি, যার অনুলিপি দেওয়া হয় এমডির কাছেও। এর পরদিন এমডি টেলিফোনে আমাকে বলেন, এরপর যেন এস আলমের ঋণের ব্যাপারে কোনো তথ্য কারও কাছে না চাওয়া হয়, নইলে তাকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এরপর তাকে ননপারফরমার আখ্যা দিয়ে দুই দিনের মধ্যে ২৫ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হয়।’


এভাবে যারা এস আলম–সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে, তাদেরই কোণঠাসা করে ফেলছেন এমডি। মোকাম্মেল হক চৌধুরীর বক্তব্য জানতে গত এক মাসে তিন দিন ব্যাংকটিতে গেলেও তিনি দেখা দেননি। তাঁকে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও সাড়া দেননি।


ব্যাংকটি এখন তারল্য সংকটে ভুগছে। অনেক শাখার নগদ লেনদেন বন্ধ রয়েছে। নতুন পর্ষদও কোনো উদ্যোগ নিতে পারছে না। 


ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মু. ফরীদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক তারল্য সহায়তা না দিলে ব্যাংক চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। বাংলাদেশ ব্যাংক সবকিছু দেখছে। তারাই বের করবে কে কত টাকা নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই।’

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস দেশে ফিরেছেন

 

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনসহ অন্যান্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগদান শেষ দেশে ফিরেছেন।


প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ৩টা ৩২ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।


এর আগে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় রাত সাড়ে নয়টায় ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়।


চার দিনের এই সফরে ড. ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার-রাষ্ট্রপ্রধান ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে তিনি ৪০টি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।


প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেন। এ ছাড়া তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।


ড. ইউনূস অন্যদের মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি, নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ডিক শুফের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।


নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে অন্যদের মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ ও ইউএসএইডের প্রশাসক সামান্থা পাওয়ার সাক্ষাৎ করেন।


প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক পৌঁছান।

Friday, September 27, 2024

The death toll from Hurricane Helen in the United States has risen to 43

    A large oak tree fell on the house after Hurricane Helen. September 27, in the state of South Carolina

 

At least 43 people have died as a result of Hurricane Helen, one of the strongest in the history of the country, which hit the southeastern part of the United States. Millions of people on the southeastern coast of the country were without power yesterday Friday.

This category 4 hurricane made a big splash in Florida last Thursday night and entered the territory of Georgia and North Carolina.

Insurance and financial institutions said that Helen's storm could cause billions of dollars in damages. Houses and roads were destroyed. One family told the BBC that they had to swim out of their house to find safe shelter after their house was washed away.

According to the US Federal Emergency Management Agency (FEMA), Helen became a hurricane within six hours.

According to the National Hurricane Center (NHC), Helen's impact caused tidal surges of more than 15 feet along the Florida coast. More than 50 cm of rain may fall in those places.

Hurricane Helen is bringing strong winds and heavy rain to large areas of Florida, Georgia, Tennessee, and North and South Carolina.

At least five people died in Pinellas County, Florida. County Sheriff Bob Gueltieri reported this information. On the other hand, Florida Governor Ron DeSantis said that one person died when a road sign fell on a car and another person died when a tree fell on a house.

মিয়ানমারের বিদ্রোহীরা কি পারবে চীনের ফাঁদ থেকে বের হতে?

 

    মিয়ানমারের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ চায়, রাজনীতি থেকে সামরিক বাহিনীর কর্তৃত্ব যেন পুরোপুরি মুছে যায়

বিভিন্ন জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠী ও পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেসের (পিডিএফএস) কাছে একের পর এক লজ্জাজনক পরাজয়ের ফলে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিলের পতন এখন দৃশ্যমান একটি বাস্তবতা।


সে কারণেই, এই সন্ধিক্ষণে মিয়ানামারে চীনের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়টি মোটেও কাকতালীয় ঘটনা নয়। চীনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মিয়ানমার সফর, জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর নেতাদের সঙ্গে দেখা করা এবং মিয়ানমারের জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদের বেইজিংয়ে আমন্ত্রণ—সব কটি ঘটনায় এই ইঙ্গিত দেয় যে মিয়ানমারকে চীন দৃঢ়ভাবেই নিজের প্রভাববলয়ে রাখতে চায়।


চীনের আনুষ্ঠানিক নীতি হচ্ছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না; কিন্তু বাস্তবে চীন মিয়ানমারের সংঘাতের সঙ্গে জড়িত দুই পক্ষের সঙ্গেই সম্পর্ক দৃঢ় রাখার কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে, মিয়ানমারে চীনের নিজেদের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখা।


চীনের সঙ্গে মিয়ানমারের জান্তার প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ রাশিয়া। এ দুটি দেশই জাতিসংঘে তাদের ভেটোক্ষমতা ব্যবহার করে জান্তা সরকারকে সুরক্ষা দিচ্ছে। 


একই সঙ্গে চীন তাদের সীমানা লাগোয়া অঞ্চলে বেশ কয়েকটি জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। এই গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরেই স্বায়ত্তশাসনের লড়াই করে আসছে।


অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, বেইজিং এমন একটি মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যাতে করে জান্তার দুর্বল স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিলের মধ্য মিয়ানমারের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে, আর প্রান্তীয় অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর হাতে থাকবে।


চীন সম্ভবত তাদের এই বন্দোবস্তকে বৈধতা দেওয়ার জন্য একটা নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে। জাতীয় আসেম্বলিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর আসন ভাগাভাগি করতে চায়। যেকোনো মূল্যে চীন মিয়ানমারে অস্ত্রবিরতিকে অগ্রাধিকার দিতে চায়।


যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের কাছে মিয়ানমার ভূরাজনৈতিক দিক থেকে মধ্যপ্রাচ্য, তাইওয়ান অথবা ইউক্রেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। সে কারণে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা পুরোপুরি কাটিয়ে মিয়ানমারের বিরোধী শক্তিগুলোকে নিজেদের সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে।

 

মিয়ানমারের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ চায়, রাজনীতি থেকে সামরিক বাহিনীর কর্তৃত্ব যেন পুরোপুরি মুছে যায়, জাতীয় প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রেই শুধু সামরিক বাহিনীর ভূমিকা থাকে; কিন্তু মিয়ারমার প্রশ্নে চীন যে পথ নিয়েছে, সেটি সংখ্যারগরিষ্ঠ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন।


এটা সুপরিচিত ব্যাপার যে চীন কৌশলের সঙ্গেই মিয়ানমারের জান্তার ওপর ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের আক্রমণের অনুমোদন দিয়েছে। এই আক্রমণে তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ), মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ) ও আরাকান আর্মি অংশ নেয়। এই আক্রমণ অভিযান অনুমোদনের কারণ হলো, পরবর্তীকালে চীন যেন হাইগেং যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।


যাহোক, চীন কয়েকটি জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠীর সম্পর্কে ভুল ধারণা করেছে। নতুন মিয়ানমারে যদি একটি ফেডারেল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অধীন সত্যিকারের স্বায়ত্তশাসন পাওয়া যায়, তাহলে এই গোষ্ঠীগুলোর অনেকগুলোই চীনের প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসতে চাইবে।


দৃষ্টান্ত হিসেবে বলা যায়, যুদ্ধ বন্ধে চীনের প্রাণান্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও টিএনএলএ খোলাখুলিভাবে পিডিএফএসকে সহযোগিতা করেছে। পিডিএফএস মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক শক্তি ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি), যারা ছায়া সরকার গঠন করেছে তাদের সশস্ত্র গোষ্ঠী।


চীন আনুষ্ঠানিকভাবে এনইউজির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে দ্বিধা করে। এর কারণ হলো, এনইউজির সামর্থ্য নিয়ে তাদের অবিশ্বাস আছে অথবা গোষ্ঠীটির ওপর পশ্চিমা প্রভাবের ব্যাপারে তারা শঙ্কিত।


এ ছাড়া একেবারে সীমান্তের দোরগোড়ায় যদি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্ম নেয়, তাহলে সেটি বেইজিংয়ের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে। যাহোক চীনের অবস্থান মিয়ানমারের ভেতরে এনইউজির ব্যাপক জনপ্রিয়তার বিষয়টিকে উপেক্ষা করা হয়।

ঐতিহাসিকভাবে এনইউজি সুনির্দিষ্ট কিছু জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠীর সঙ্গে শক্তিশালী বন্ধনে আবদ্ধ। এরা হলো কারেন, কারেননি, কাচিন ও চিন রাজ্যের সশস্ত্র গোষ্ঠী।

সম্মিলিতভাবে এদের কে৩সি জোট বলা হয়। এদের মধ্যে কাচিনের সঙ্গে চীনের সীমান্ত রয়েছে।

এর বিপরীতে নর্দান শান রাজ্য ল্যান্ডলক হওয়ায় এখানকার জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠী তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ অন্য সবকিছুর জন্য চীনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। 


২০২৪ সালের জুলাই মাসে বেইজিং নর্দান শান রাজ্যের রাজধানী অঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এই অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে এমএনডিএএ। চীন দুই দেশের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। ফলে এখন এই অঞ্চলের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে টিকে থাকার জন্য টোল সংগ্রহের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।


সম্প্রতি রুইলি সিটি স্টেট সিকিউরিটি কমিশন একটি চিঠিতে দাবি করেছে, টিএনএলএকে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। এ ঘটনা চীনের আরও অসন্তোষকেই ইঙ্গিত করে। মিয়ানমারের সীমান্তে সম্প্রতি নিরাপত্তা মহড়া চালিয়ে চীন তার সামরিক শক্তি প্রদর্শন করেছে।


চীনের এই ধরনের কর্মকাণ্ড মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে। শান ও কাচিন রাজ্য থেকে সেনা সরিয়ে অন্য রাজ্যের জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠী, যেমন কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি, আরাকান আর্মি ও কারেননি ন্যাশনালিটিস ডিফেন্স ফোর্স এবং পিডিএফএসের বিরুদ্ধে সেনা নিয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে। 


এ কারণে কারেননি রাজ্যের রাজধানী সেখানকার কারেননি ন্যাশনালিটিস ডিফেন্স ফোর্সের কাছ থেকে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী।


এ ঘটনা মিয়ানমারের বিপ্লবী বাহিনীগুলোকে চীনের জবরদস্তির বিরুদ্ধে একটা পথ খুঁজে বের করার গুরুত্বকে সামনে নিয়ে আসে।


যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের কাছে মিয়ানমার ভূরাজনৈতিক দিক থেকে মধ্যপ্রাচ্য, তাইওয়ান অথবা ইউক্রেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। সে কারণে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা পুরোপুরি কাটিয়ে মিয়ানমারের বিরোধী শক্তিগুলোকে নিজেদের সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে।


থান এন ওও, মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক কর্মী এবং ফ্রি মিয়ানমার অ্যাডভোকেসি গ্রুপের সহপ্রতিষ্ঠাতা।


সূত্র : এশিয়া টাইমস 

নিউইয়র্ক থেকে দেশের পথে ড. ইউনূস

 

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ছেড়েছেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর তিনি যাত্রা শুরু করেছেন।


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বাসসকে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের বাণিজ্যিক একটি ফ্লাইট শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।


শফিকুল আলম আরও বলেন, বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের সবচেয়ে সফলতম সফর ছিল এবার।


ফ্লাইটটির রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।


সফরকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ ছাড়া তিনি উচ্চপর্যায়ের ৪০টি পার্শ্ববৈঠকে অংশ নেন।


প্রধান উপদেষ্টা গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছান। তিনি চার দিনের সফরকালে খুবই কর্মব্যস্ত সময় পার করেন।

Thursday, September 26, 2024

Kamala received the support of Muslim organizations in the United States

    Kamala Harris

 

US-based Muslim rights group MGAZ Action expressed confidence in Kamala despite concerns over Israeli attacks on Gaza.

Democratic Party presidential candidate Kamala Harris has received the support of American Muslim rights organization Mgaze Action. The organization expressed confidence in US Vice President Kamala despite concerns over the ongoing Israeli attack on Gaza.

According to Mgaze Action, Republican Party candidate former President Donald Trump has called for reimposing a travel ban on Muslim countries, which could pose a major threat. It has been welcomed by Kamal's campaign.

The US presidential election will be held on November 5. In this election, there is a glimpse of a bitter fight between Kamala and Trump. Meanwhile, Kamala was supported by the influential Muslim organization.

In this year's presidential election, Arab American and Muslim voters could play an important role in determining the outcome of Michigan, Pennsylvania, Georgia and other key swing states. Earlier, Joe Biden was able to beat Trump in the 2020 presidential election.

Several US Muslim organizations, including MGAZ Action, have criticized the Biden administration for supporting Tel Aviv in Israel's attack on Gaza. Kamala Harris called for a quick ceasefire in Gaza and the release of hostages.

He said he supports Israel's self-defense. At the same time, he is also in favor of the right of self-determination of Palestinians.

"While we do not agree with all of Kamala's policies, especially regarding the war in Gaza, we support her with realism and faith," Wael Alzayat, chief executive officer of MGAZ, said in a statement. We provide honest guidance to ease the difficult situation for voters, who to elect at the ballot box.''

Earlier, Mgaze Action supported Biden in the 2020 election. They claim that they inspired more than 1 million voters. According to Mgaze, Kamala is being supported only to defeat Trump, so that the Muslim community can be protected from spreading Islamophobia and harmful policies.

Trump has not commented on this. His campaign has already held several events with Arab American and Muslim voters in swing states.

He is doing another show this week in Michigan. Trump said he would reimpose a travel ban restricting entry to the United States from Muslim-majority countries. The ban was lifted after Biden became president in 2021.

Orange in criticism of Trump

According to an AFP report, Donald Trump has been called the "most failed" leader in the economic field of the United States by his rival Democratic Party presidential candidate Kamala Harris. Last Wednesday, he also described Republican presidential candidate Trump as a friend of the rich.

In a speech on the state of the economy and later in an interview with the television network MSNBC, Kamala warned that Trump plans to reimpose large tariffs on imports from abroad. This will put a strain on the pockets of the US middle class.

In a speech delivered in Pittsburgh, Kamala promised to 'take the country forward in a new direction'. Here too he emphasized on keeping prices down for the common American. Pittsburgh is the industrial city of the swinging state of Pennsylvania.

আসামে উচ্ছেদ হলো ৪৫০ মুসলমান পরিবার


 

ভারতের পশ্চিম আসামের গোয়ালপাড়া জেলার সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে ৪৫০ পরিবারকে মঙ্গলবার উচ্ছেদ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এসব পরিবারকে ‘বেআইনি দখলদার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 


তবে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) পত্রিকা ‘অর্গানাইজার’-এ পরিবারগুলোকে ‘বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত মুসলমান পরিবার’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।


উচ্ছেদ হওয়া ৪৫০ পরিবারের সদস্যসংখ্যা দুই হাজার। উচ্ছেদের কারণে ৫৫-৬০ হেক্টর বনাঞ্চল খালি করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সরকারি কর্মকর্তারা।


গোয়ালপাড়া জেলার লখিপুর রেঞ্জের বন্দরমাথা রিজার্ভ ফরেস্টের ১১৮ হেক্টরজুড়ে অভিযান চালিয়ে ৫৫-৬০ হেক্টর অঞ্চল থেকে দখলদারদের সরিয়ে দেওয়া হয় বলে জানান গোয়ালপাড়ার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তেজস মারিস্বামী।


তেজস মারিস্বামী বলেন, গোয়ালপাড়ার সব সংরক্ষিত বনাঞ্চলকে দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন গুয়াহাটি হাইকোর্ট। ওই নির্দেশ অনুসারে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। সারা দেশের মধ্যে গোয়ালপাড়ায় মানুষ ও হাতির সংঘাত সবচেয়ে বেশি। 


তিনি বলেন, এলাকাটি পরিষ্কার করার পর বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকাটিকে হাতির বসবাসের উপযোগী করে তোলা হবে।


এই বন কর্মকর্তা বলেন, ‘গত সপ্তাহে আমরা পতাকা মিছিল করেছি। আমাদের সীমানা সম্পর্কে লোকজনকে অবহিত করেছি। তাঁদের সংরক্ষিত এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধও করেছি।’


আরএসএসের পত্রিকা ‘অর্গানাইজার’-এ বলা হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে, তাঁরা সবাই বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত। পত্রিকাটি বলছে, স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, ইসলামপন্থীরা ২০০১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে কংগ্রেস সরকারের আমলে সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখল করেছিলেন।

Is Musk growing distant from the Trump administration over tariffs?

         Tesla CEO Elon Musk   Elon Musk has made several posts on social media criticizing a top White House adviser for US President ...