Sunday, December 31, 2023

Loud speakers and large tourist groups are being banned in Venice

 

    Tourists are traveling by boat on the Grand Canal in Venice

Authorities have decided to ban the use of loud speakers and large tourist groups in the Italian tourist city of Venice. No group can have more than 25 tourists. Steps are being taken to keep the city safe by reducing tourist pressure in Venice.

The new rules will come into effect in June, according to a statement from Venice city authorities.

The statement said banning the use of loud speakers caused 'confusion and disturbance' due to their use.

Venice is one of the most visited cities in Europe. Reducing the pressure of excess tourists has become imperative for the city.

Last September, the Venice authorities decided to charge five euros as an entrance fee to tourists visiting for a day (not an overnight stay).

Elisabetta Pesche, Venice's security official, said the new policies are being introduced to better manage tourists visiting the historic area.

The area of ​​Venice city is only 7.6 square kilometers. According to data from Italy's National Institute of Statistics, in 2019 Venice was visited by about 1.3 million tourists. In the next few years, the number of visitors to the city is expected to surpass the pre-pandemic numbers.

Earlier this year, UNESCO said Venice should be added to the list of World Heritage Sites in Danger. Because, the city has changed due to the effects of climate change and more tourists.

In 2021, the entry of large ships to Venice via the Judecca Canal was banned. The move was taken after a ship was involved in an accident at a port. According to critics, these ships are creating pollution. This is eroding the foundations of Venice. Venice was already suffering from regular floods.

Romania and Bulgaria are partially joining the Schengen area

 

    The Schengen Area was established in 1985

Romania and Bulgaria are partially joining the Schengen area of ​​free movement in Europe from March 2024. The European Council announced this on Saturday.

Romania and Bulgaria have been members of the European Union (EU) since 2007. However, the two countries have not been able to join the visa-free Schengen zone for so long.

More than 400 million people can move freely in the Schengen area without internal border controls.

Austria initially vetoed the application of Romania and Bulgaria to join the Schengen area.

Finally, in late 2022, Romania and Bulgaria's applications to join the Schengen area were rejected.

Austria has said for years that Schengen's external border security is weak. Because of this, Austria has to give asylum to an unusual number of illegal immigrants.

The Schengen Area was established in 1985. Currently, the number of countries included in the Schengen zone is 27. It includes 23 of the 27 EU members. 

Four countries that are not members of the EU (Switzerland, Norway, Iceland and Liechtenstein) belong to the Schengen area.

In a statement of the European Council yesterday, it was said that the 27-member EU has unanimously agreed to lift the air and sea border control of these two countries (Romania and Bulgaria) on March 31.

And the talks on opening the land borders of the two countries in the Schengen area will continue next year.

After nearly 12 years of negotiations, it was finally decided to partially include Romania and Bulgaria in the Schengen area.

The European Commission has welcomed the partial inclusion of the two countries in the Schengen area. The enlarged Schengen area will strengthen the EU internally and as a union on the world stage, the Commission said in a statement.

European Commission President Ursula von der Leyen called it a "historic moment".

In a post on social media, the President of the European Commission said, "Today is a proud day for Bulgaria and Romania." Both countries deserve it. They will make Shenzhen stronger.

আলবেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীকে গৃহবন্দী করার নির্দেশ

 

    আলবেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী সালি বেরিশা

আলবেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী সালি বেরিশাকে গৃহবন্দী করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। দায়িত্বে থাকাকালে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলার তদন্ত হয়। এরপর এই রায় দেন আদালত।


কৌঁসুলিদের অভিযোগ, ২০০৫ ও ২০০৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে ক্ষমতায় থাকাকালে বেরিশা তাঁর মেয়ের স্বামীর নামে রাষ্ট্রীয় জমির বেসরকারীকরণ করেছিলেন। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বেরিশা।


৭৯ বছরের বেরিশা আলবেনিয়ার অন্যতম বড় বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান।


আদালতের সিদ্ধান্তের পর বেরিশার আইনজীবী জেনস গোজাকুতাজ বলেছেন, আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন গ্রহণ করেছেন। এরপর বেরিশাকে গৃহবন্দী করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে তিনি দেশ ছাড়তে পারবেন না। বেরিশা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।


বেরিশা অভিযোগ করেছেন, বিরোধী মত দমনের জন্য আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইডি রামা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করেছেন।


আদালতের রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় বেরিশা বলেন, গৃহবন্দী হলেও পুলিশ থাকলে বা না থাকলেও কেউ তাঁকে সমর্থকদের থেকে আলাদা করতে পারবে না।

বেরিশা ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত আলবেনিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


২০২১ সালে বেরিশা ও তাঁর পরিবারের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আত্মীয়স্বজন ও রাজনৈতিক মিত্রদের সুবিধা দিয়েছেন বেরিশা। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

লোহিত সাগরে জাহাজ লক্ষ্য করে হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

 

    গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত শুরুর পর থেকে হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগর ও আশপাশের নৌসীমায় কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে

লোহিত সাগরের দক্ষিণাঞ্চলে একটি পণ্যবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শনিবার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে ড্রোনগুলো ছোড়া হয়েছে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম বলেছে, সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী ও ডেনমার্কের মালিকানায় পরিচালিত একটি পণ্যবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হওয়ার খবর পেয়েছে তারা। ওই জাহাজ থেকেই খবরটি জানানো হয়।


পরে ক্ষেপণাস্ত্র–বিধ্বংসী মার্কিন জাহাজ ইউএসএস গ্রেভলি ও ইউএসএস লাবুন ওই জাহাজটিকে সহায়তা দেয়। তখন গ্রেভলি জাহাজ থেকে জাহাজ–বিধ্বংসী দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইয়েমেনের হুতিনিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো থেকে ছোড়া হয়েছে।


সেন্টকম বলেছে, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ইরান–সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের বেশির ভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

সেন্টকম বলেছে, ১৯ নভেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক চলাচলের এই পথে এটি হুতিদের ২৩তম হামলা।

বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ ৮ জনের কারাদণ্ড

 

    মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ আটজনকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১০ বছর আগে যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় তাঁদের এই সাজা দেওয়া হয়েছে।


ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীম আজ রোববার এই রায় দেন।


সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


কারাদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া (জুয়েল), বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, বিএনপি নেতা হারুন অর রশীদ, শহিদুল হক, ইব্রাহীম এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম (মাসুদ)।

আসামিপক্ষের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির সাত মসজিদ রোডে যাত্রীবাহী একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা করে।


এই মামলা তদন্ত করে ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ছয়জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের রায়ে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আটজনকে তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ও সাইফুল আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। পলাতক বাকি ছয়জনের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।


গত বৃহস্পতিবার গুলশান থানার মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের ২১ মাস করে কারাদণ্ড দেন আদালত।


এর আগে দলটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমানসহ দলটির কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতার সাজা হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের যা বলেন তা করেন, সতর্ক থাকতে বললেন জোনায়েদ সাকি

 

    গণসংযোগ কর্মসূচির আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দেন গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে, ঢাকা, ৩১ ডিসেম্বর

বিরোধীদের আন্দোলন দমাতে সরকার নানা কিছু ঘটাচ্ছে এবং তার দায় বিরোধীদের ওপর দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। তারা আন্দোলনে বিএনপিকে সতর্ক থাকতে বলেছে।

আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণসংযোগ কর্মসূচির আগে এক সমাবেশে এসব কথা বলেন গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা।

গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের যা বলেন, তিনি তা করেন। ২৮ অক্টোবর তারা পরিকল্পিত সহিংসতা ঘটিয়ে বিএনপির ওপর দায় চাপিয়েছে। তারা এবারও লাশ ফেলে অন্যের ওপর চাপাবে।’ তিনি আন্দোলনে সতর্ক থাকতে বলেন।


গতকাল শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপির উদ্দেশে বলেছেন, তারা আরও ভয়ংকর গুপ্ত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে এ কথা বলেন জোনায়েদ সাকি।

    ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিল। ঢাকা, ৩১ ডিসেম্বর


‘বিএনপি নির্বাচন প্রতিহত করতে চাইলে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি রয়েছে’—বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসা খবরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে জোনায়েদ সাকি বলেন, সিইসি ওবায়দুল কাদেরের ভাষায় কথা বলেছেন। তার রাজনৈতিক চেহারা পরিষ্কার।


মঞ্চের আরেক নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, বিরোধী দলকে মোকাবিলা করতে না পেরে হত্যা, হামলাসহ অগ্নিসংযোগের দায় দেওয়া হচ্ছে। এসব কিছু ঘটলে তার দায় সরকারের।


রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত কাইয়ুমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, নাগরিক ঐক্যের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাখখারুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ প্রমুখ।

Saturday, December 30, 2023

ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির রুটিন প্রকাশ, ষষ্ঠে ৬ পিরিয়ড, দশমে ৭

 


২০২৪ সালের শিক্ষাবর্ষের জন্য ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। এক শিফট ও দুই শিফটের স্কুলের জন্য আলাদা রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণয়ন করা এ রুটিন প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।


রুটিনে বলা হয়েছে, নতুন রুটিন অনুযায়ী এক শিফটের স্কুলগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। আর দুই শিফটের স্কুলগুলো চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৫টা পর্যন্ত। প্রথম শিফট সাড়ে ১২টায় শেষ হয়ে দ্বিতীয় শিফট শুরু হবে। রুটিনে যেভাবে যে বিষয় উল্লেখ আছে, সেভাবেই ক্লাস নিতে হবে।

তবে বিশেষ প্রয়োজনে একই দিনের বিষয়গুলোর পিরিয়ড পারস্পরিক পরিবর্তন করা যাবে। আর রুটিনে দশম শ্রেণির অংশ ফাঁকা রাখা হয়েছে। স্কুলগুলোকে দশম শ্রেণির রুটিনের বিষয়গুলো নিজেদের মতো করে করতে হবে।


ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ধারাবাহিকতায় আগামী বছর অষ্টম ও নবম শ্রেণিতেও নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে। নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে শিক্ষার্থীদের ছয় পিরিয়ড ক্লাস হবে। তবে আগের শিক্ষাক্রমের দশম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে সাত পিরিয়ড।

বার্লিনে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি সমাবেশ নিষিদ্ধ

 

    ইসরায়েলি হামলার শিকার ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বার্লিনে মিছিল হয়। ৪ নভেম্বর, জার্মানি

নববর্ষের প্রাক্কালে জার্মানির বার্লিনে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ। শহরটিতে ফিলিস্তিনপন্থী একাধিক সংগঠন ‘নো সেলিব্রেশন ডিউরিং জেনোসাইড’ (গণহত্যার সময় উদ্‌যাপন নয়) শিরোনামে এই সমাবেশের উদ্যোগ নিয়েছিল।


নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে এই সংহতি সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


জার্মানির ডের স্পিগেল পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বছর শুরুর প্রাক্কালে আগামীকাল রোববার রাত ১০টা থেকে এই আয়োজন শুরু হওয়ার কথা ছিল। বার্লিনের নয়েকোলন এলাকায় রিশার্ড স্কয়ার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরুর পরিকল্পনা করেছিলেন ফিলিস্তিনপন্থীরা। মধ্যরাতে মিছিল শেষ হওয়ার কথা ছিল হারম্যান স্কয়ারে গিয়ে।


কিন্তু এখন পুলিশের নির্দেশে এই আয়োজন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। যদিও রোববার বিকেলে ফিলিস্তিনপন্থীদের আরেকটি বিক্ষোভ ও সন্ধ্যায় হারম্যান স্কয়ারে ইসরায়েলের সমর্থনে আরেকটি সমাবেশ আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি।


গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকে বার্লিনে কয়েকটি সমাবেশ ও বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভ চলার সময় বার্লিনের নয়েকোলন এলাকায় সহিংসতাও ঘটেছে।


এর পরিপ্রেক্ষিতে বার্লিন পুলিশ জানিয়েছে, বছরের শেষ দিন হওয়ায় আতশবাজি ও এ–জাতীয় বিস্ফোরক জনমনে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে। তাই ফিলিস্তিন সংহতি সমাবেশ অন্য কোথাও আয়োজন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বার্লিন পুলিশের প্রধান বারবারা স্লোভিক বলেন, নতুন বছর বরণে নানা আয়োজন করা হয়ে থাকে। এর সঙ্গে এখন ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়ায় বার্লিন পুলিশের ওপর বাড়তি চাপ পড়েছে।


নয়েকোলন বার্লিনের তিনটি প্রধান সম্ভাব্য সংঘাতপ্রবণ এলাকার একটি। বর্ষবরণ উপলক্ষে তিন হাজার পুলিশ বার্লিন শহরের উত্তর নয়েকোলন, ক্রয়েজবার্গ ও কুটবুশার টোর ​​এলাকা থেকে হারম্যান স্কয়ার পর্যন্ত নিরাপত্তা দেবে।


বার্লিন পুলিশ আরও জানিয়েছে, নতুন বছর উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী ধরনের কনটেন্ট আপলোড করা হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।


এ ছাড়া কোলন শহরের ক্যাথেড্রালে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি পাওয়ার ঘটনায় পুলিশ ওই ক্যাথেড্রাল ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

নির্বাচনের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের জবাব দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে তৃতীয় পক্ষকে ক্ষমতায় আনার জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে।


গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সরকারি শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠে আজ শনিবার সকালে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।


শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন বাতিলের জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অনেকে আন্তর্জাতিকভাবেও জড়িত। তারা বাংলাদেশে তৃতীয় পক্ষকে ক্ষমতায় আনার জন্য কাজ করছে। আমরা আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দেব।’


প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগামী ৭ জানুয়ারি আমাদের নির্বাচন। নৌকা মার্কায় আমরা ভোট করব। আপনারা সকালে সবাই সশরীর এসে ভোট দিয়ে এই বিশ্বকে দেখাবেন, এই নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং আমরা তা করতে জানি ও করতে পারি। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন আমরা করতে পারি।’ তিনি বলেন, তিনি চান দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হোক।


আওয়ামী লীগ সভাপতি টুঙ্গিপাড়াবাসীর সমর্থনকে নিজের শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ‘আমি ৩০০ আসন দেখি। আর আমাকে দেখেন আপনারা। কাজেই এটাই হচ্ছে আমার সব থেকে বড় পাওয়া, আমার মতো একজন সৌভাগ্যবান প্রার্থী বাংলাদেশে আর নেই। এটা হলো বাস্তবতা। তার কারণ আপনারা। আপনারাই আমার দায়িত্ব নেন। আপনারা আমাকে দায়মুক্ত করে রেখেছেন বলেই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা কাজ করতে পারছি।’


‘আমি একজন প্রার্থী হিসেবে নৌকা মার্কায় ভোট চাই, ভোট দেবেন তো’—শেখ হাসিনার এ প্রশ্নের উত্তরে সমস্বরে চিৎকার করে জনতা দুই হাত তুলে ভোট প্রদানের সম্মতি জানায়। ‘আমি জানি, আপনারা আমাকে ভোট দেবেন’—প্রত্যুত্তর দেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রী তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বেলা সোয়া ১১টায় সমাবেশস্থলে পৌঁছান এবং সমাবেশে জাতীয় পতাকা নেড়ে জনতাকে শুভেচ্ছা জানান। 

ঢাকা–১৫ আসনে ৯টি নির্বাচনী ক্যাম্পের ৮টিই সড়ক–ফুটপাতে

 

    আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে তৈরি করা হয়েছে নির্বাচনী ক্যাম্প। গতকাল রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ কনভেনশন হলের পেছনের সড়কে

আচরণবিধি ভঙ্গ করে মানুষের হাঁটাচলার জায়গায় নৌকার প্রার্থী প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারের পক্ষে করা হয়েছে নির্বাচনী ক্যাম্প।

সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো ওয়ার্ডে একজন প্রার্থী কোনোভাবেই একটির বেশি নির্বাচনী কার্যালয় (ক্যাম্প) করতে পারেন না। বিষয়টি স্পষ্ট করেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালায় বলা আছে।


তবে ঢাকা–১৫ সংসদীয় আসনের (শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, কাফরুল ও মিরপুরের একাংশ) ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে ৯টি অস্থায়ী নির্বাচনী ক্যাম্প করা হয়েছে। এসব ক্যাম্পের কোনোটি করা হয়েছে ফুটপাতে, মানুষের হাঁটাচলার জায়গায়, কোনোটি আবার করা হয়েছে মূল সড়কের জায়গায়।


এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। তিনি এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের চারটি ওয়ার্ড নিয়ে আসনটি গঠিত। ওয়ার্ডগুলো হলো—৪, ১৩, ১৪ ও ১৬। এই আসনে মোট ভোটার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ।


ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন মিরপুর ১৩ নম্বরের বি ব্লকে বিদ্যুৎ অফিসের উল্টো পাশের সড়কের ওপর বাঁশ ও কাপড় দিয়ে নির্বাচনী ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে।


নৌকা প্রতীকের পোস্টার দিয়ে ঘেরা এই ক্যাম্প থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে সি ব্লকে রাস্তার ওপর আরেকটি ক্যাম্প করা হয়ছে। এই ক্যাম্পের পেছনের ফুটপাত ভাঙাচোরা। মানুষজন কোনোমতে চলাচল করতে পারেন।


এই ক্যাম্প থেকে ১০০ মিটার দূরে একই সড়কের ওপর আরেকটি ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। সড়ক ও ফুটপাত দখল করে তৈরি করা এই ক্যাম্প থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে আরেকটি ক্যাম্প করা হয়েছে। এটিও সড়ক ও ফুটপাতের জায়গা দখল করে করা হয়েছে।


এ ছাড়া মিরপুর ১৩ নম্বরের সি ব্লকেও (৪ নম্বর ওয়ার্ড) নৌকা প্রতীকের পক্ষে ফুটপাতের জায়গায় আরও দুটি ক্যাম্প করা হয়েছে। এই ব্লকে লাঙ্গল প্রতীকের একটি নির্বাচনী ক্যাম্পও রয়েছে। ডি ব্লকেও নৌকা প্রতীকের আরেকটি ক্যাম্প রয়েছে। এটিও ফুটপাতের জায়গায় তৈরি করা।

মিরপুর ১৫ নম্বর সেকশনে (৪ নম্বর ওয়ার্ড) গিয়ে দেখা যায়, আবাসিক এলাকার একটি গলির মুখে সড়কের ওপর কাপড় দিয়ে ঘেরা বড় একটি নির্বাচনী ক্যাম্প। এই ক্যাম্পের সামনের দুই দিকে দুটি ব্যানার ঝোলানো। তাতে লেখা ‘নির্বাচন প্রচার কেন্দ্র’। এই নির্বাচনী ক্যাম্পের আকার ৮০০ বর্গফুটের মতো। কিন্তু আচরণবিধি অনুযায়ী, ৪০০ বর্গফুটের বেশি কোনো ক্যাম্প করা যায় না।


একই ওয়ার্ডের পূর্ব বাইশটেকি এলাকায় আরেকটি ক্যাম্প করা হয়েছে। অবশ্য এটি ফুটপাত বা সড়কের জায়গায় করা হয়নি। সড়কের পাশে একটি দোকানে এই ক্যাম্প করা হয়েছে। তবে এখানে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা রয়েছে, যা আচরণবিধির লঙ্ঘন।


নির্বাচনী আচরণবিধি ভেঙে সড়ক ও ফুটপাতে ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়ে আওয়ামী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামাল আহমেদ মজুমদার গতকাল রাতে মুঠোফোনে বলেন, অতি উৎসাহী কিছু লোক এসব ক্যাম্প করেছেন। প্রচারে গিয়ে তিনি এসব দেখার পর ক্যাম্পগুলো বন্ধ করে দিতে বলেছিলেন। কিন্তু নেতা-কর্মীরা কথা শুনছেন না।


কামাল আহমেদ মজুমদারসহ আটজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ঢাকা–১৫ আসনে। অন্যরা হলেন জাসদের মুহাম্মদ সামছুল ইসলাম (মশাল প্রতীক), জাতীয় পার্টির মো. সামসুল হক (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. সামছুল আলম চৌধুরী (একতারা), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আশরাফ হোসাইন সরকার (ডাব), এনপিপির নাজমা বেগম (আম), তৃণমূল বিএনপির খন্দকার মো. ইমদাদুল হক (সোনালী আঁশ) ও বিএনএফের এস এম ইসলাম (টেলিভিশন)।


এই সংসদীয় আসনের বিভিন্ন সড়কে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে অসংখ্য পোস্টার লাগানো হয়েছে। লাঙ্গল ও মশাল প্রতীকের পোস্টারও অনেক জায়গায় দেখা গেছে।


আচরণবিধি ভঙ্গ করে সড়ক ও ফুটপাতে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্প করার বিষয়ে ঢাকা–১৫ আসনের দুজন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলামের সঙ্গে গতকাল রাতে কয়েক দফায় মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে প্রতিনিধিরা। তাঁরা ফোন ধরেননি। পরে দুজনের মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে প্রশ্ন পাঠানো হয়। কিন্তু দুজনের কেউই কোনো জবাব দেননি।

Is Musk growing distant from the Trump administration over tariffs?

         Tesla CEO Elon Musk   Elon Musk has made several posts on social media criticizing a top White House adviser for US President ...