Wednesday, June 26, 2024

Russia bans more than 80 Western media

 

    Threats to shut down the media if they speak out against Vladimir Putin

Russia has banned 81 European Union media outlets. These media outlets have been accused of spreading anti-Russian news for a long time. Apart from this, Russia also accused them of giving false information about the war in Ukraine. As a result, the Russian people will no longer be able to watch these media.

In fact, Russia is not calling the Ukraine campaign a war. This is called a special army operation. Legal action is being taken against anyone who calls it war. But most of the media is calling it a war.

Earlier, Russia had banned several independent media outlets. Threats to shut down the media if they speak out against President Vladimir Putin.

On Tuesday, the Ministry of Foreign Affairs of Russia said that an incident in May is behind this decision. At that time, the European Union imposed sanctions on four Russian media outlets. Allegedly, those media are spreading propaganda for the Kremlin. Prague's Voice of Europe was also on the list, directly opposing the Western world. Russia strongly criticized the EU's move.

The EU's response

Media outlets that have been shut down include the French news agency AFP, Germany's Spiegel, Spain's El Paris, Austria's and Italy's national news agencies. A ban has also been imposed on the famous newspaper Politico.

The EU vice president called Russia's move "foolish". He claimed that the banned media are not propaganda machines.

Moscow's statement

Moscow said it could reverse the move. In that case, the EU should lift the ban on Russian media.

Russia said, "We warned repeatedly. Journalists in the EU who speak for Russia cannot be bothered. Media cannot be obstructed. But the EU did not listen to that.

After the 2022 operation in Ukraine, many Western media outlets moved their staff from Russia. Because, the Russian parliament passed several laws against the press and journalists. Deutsche Welle was also banned by Russia at the time.

The case against Wall Street Journal reporter Ivan Gershkovic began a day before yesterday's ban. He was arrested earlier.

বগুড়া কারাগারের ছাদ ফুটো করে পালানো এক কয়েদি মেয়রের ছেলে

 

    নজরুল ইসলাম (বাঁ থেকে উপরে), ফরিদ শেখ, মো. জাকারিয়া (বাঁ থেকে নিচে) ও আমির হোসেন

বগুড়া জেলা কারাগারের ছাদ ফুটো করে পালানোর পরপরই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে মো. জাকারিয়া বগুড়ার কাহালু পৌরসভার মেয়র আবদুল মান্নানের ছেলে। এক স্কুলছাত্রকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় ও হত্যার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


অন্য তিন আসামি হলেন বগুড়ার সদর উপজেলার ফরিদ শেখ, কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নজরুল ইসলাম ওরফে মজনু ও নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার আমির হোসেন।


ওই চারজন গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টা ৫৬ মিনিটের দিকে বগুড়া কারাগারের ছাদ ফুটো করে রশির মাধ্যমে প্রাচীর টপকে পালান। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আজ বুধবার ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে বগুড়া শহরের চেলোপাড়া চাষিবাজারের মাছের আড়ত এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী আজ সকালে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামিকে ১ জুন থেকে বগুড়া কারাগারের কনডেম সেলে একসঙ্গে রাখা হয়েছিল।


থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাহালু উপজেলায় স্কুলছাত্র নাইমুল ইসলাম ওরফে নাইমকে (১৩) অপহরণের পর হত্যা এবং ইটভাটায় লাশ পুড়িয়ে ভস্মীভূত করার দায়ে মো. জাকারিয়ার মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। গত বছরের ৬ জুলাই উপজেলার উলট্ট বাজার থেকে জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


ওই চার কয়েদি গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টা ৫৬ মিনিটের দিকে বগুড়া কারাগারের ছাদ ফুটো করে রশির মাধ্যমে প্রাচীর টপকে পালান। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আজ বুধবার ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে বগুড়া শহরের চেলোপাড়া চাষিবাজারের মাছের আড়ত এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

 

নিহত নাইমুর কাহালু উপজেলার রুস্তমচাপড় গ্রামের রফিকুল ইসলাম তালুকদারের ছেলে। সে কাহালু পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৫ এপ্রিল সকালে স্কুল ও কোচিং করতে যাওয়ার পথে অপহৃত হয় নাইমুল।


অপহরণকারীরা তাকে একটি সারের দোকানে আটকে রেখে মুক্তিপণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। চার দিনের মাথায় ৯ এপ্রিল মুক্তিপণের পাঁচ লাখ টাকা নেন তাঁরা। কিন্তু অপহরণকারীদের চিনে ফেলায় সারের দোকানে গলায় রশি পেঁচিয়ে মাইমুলকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। লাশ সারের বস্তায় ভরে মো. জাকারিয়ার বাবার ইটভাটার আগুনে ভস্মীভূত করা হয়। 


এ ঘটনায় নাইমের বাবা রফিকুল ইসলাম ১০ জনকে আসামি করে কাহালু থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর ৬ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি রায় ঘোষণা করেন আদালত। মো. জাকারিয়াসহ দুজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অন্য আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।


ফরিদ শেখের বাড়ি বগুড়া সদর উপজেলার কুটুরবাড়ি এলাকায়। জমিজমা নিয়ে এলাকার ইয়াকুব আলী শেখের সঙ্গে বাদশা শেখের পরিবারের বিরোধ ছিল। এর জের ধরে ২০১৯ সালের ৬ জুন দুপক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। 


একপর্যায়ে আল আমিন (১৮) নামের এক তরুণকে ধারালো অস্ত্র (সুলপি) দিয়ে তাঁর পেটে আঘাত করেন বাদশা শেখ। পরে আল আমিন মারা যান। ওই ঘটনায় করা মামলায় ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর বাদশা শেখকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।


নজরুল ইসলামের বাড়ি কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দিয়াডাঙ্গা এলাকায় এবং আমির হোসেনের বাড়ি মাধবদী উপজেলার ফজরকান্দি এলাকায়। ২০১৪ সালে ভূরুঙ্গামারীর সীমান্তবর্তী দিয়াডাঙ্গা গ্রামে ডাকাতি ও চার খুনের মামলায় তাঁরা দুজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।


মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি রাতে দিয়াডাঙ্গা গ্রামের সুলতান আহমেদের বাড়িতে ডাকাতি হয়। এ সময় ডাকাত দল সুলতান মণ্ডল, তাঁর স্ত্রী হাজেরা বেগম, তাঁদের দুই নাতনি রোমানা ও আনিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। 


এ ঘটনায় নিহত সুলতান আহমেদের ছেলে হাফিজুর রহমান ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি নজরুল ইসলাম, আমির হোসেনসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক।

মতিউর নিয়ে মুখে কুলুপ অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের

 

    মতিউর রহমান

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান অফিসে যাচ্ছেন না। তিনি কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন কি না, ছুটি নিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে মুখ খুলছেন না বিভাগটির কেউ।


অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে আজ বুধবার বিভাগটির অধীন চারটি সংস্থার সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। সেই অনুষ্ঠানেও যাননি মতিউর।


অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠান এনবিআর, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনাল এবং ট্যাক্সেস আপিলাত ট্রাইব্যুনাল। মতিউর এনবিআরের সদস্য ছিলেন। তাঁকে ২৩ জুন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়।


মতিউর কিছুদিন আগে আলোচনায় আসেন তাঁর ছেলের কারণে। পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানি দেওয়ার জন্য তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান মুশফিকুর রহমান (ইফাত) সাদিক অ্যাগ্রো নামের একটি খামার থেকে ১২ লাখ টাকায় ছাগল কেনার বায়না করেছিলেন।


এরপর মতিউর ও তাঁর পরিবারের বিপুল সম্পদের তথ্য সামনে আসে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মতিউরের সম্পদ অনুসন্ধান করছে। আদালত তাঁর এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী ও ছেলের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তাঁদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।

মতিউর তাঁকে নিয়ে আলোচনা তৈরির পরই আড়ালে চলে যান। ঈদুল আজহার পর থেকে তিনি অফিসে যাচ্ছিলেন না। বদলি করার পর নতুন কার্যালয়ে তাঁকে দেখা যায়নি।

মতিউর অফিস করছেন কি না, এ বিষয়ে জানতে এই প্রতিবেদক আজ সচিবালয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে যান। সেখানে জ্যেষ্ঠ সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামের কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। পরে উপসচিব (কাস্টমস) মকিমা বেগমের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তিনি কক্ষে প্রবেশের অনুমতি দেননি।


যুগ্ম সচিব আবদুল গফুরের (কাস্টমস) কক্ষে গিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়। তবে তিনি শুধু মতিউরের আজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকার কথা জানান। এর বাইরে আর কিছু বলতে রাজি হননি।


ফলে নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে মতিউর নতুন কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন কি না, ছুটি নিয়েছেন কি না।


বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) সাবেক রেক্টর এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, মতিউরের বদলি হয়েছে ঢাকার মধ্যেই আরেক কর্মস্থলে। চাকরিবিধি অনুযায়ী বদলির দিনই তাঁর নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়া উচিত ছিল। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা কেন লুকোচুরি করছেন, তা বোধগম্য নয়। এখানে লুকোচুরির কিছু নেই।

সাদিক অ্যাগ্রো উচ্ছেদ করবে ডিএনসিসি

    সাদিক অ্যাগ্রোর খামার


ছাগল–কাণ্ডের জন্য আলোচিত মোহাম্মদপুর এলাকার ‘সাদিক অ্যাগ্রো ফার্ম’ উচ্ছেদে অভিযান চালাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটি বলছে, সাদিক অ্যাগ্রো লিমিটেড অবৈধভাবে খাল ও সড়কের জায়গা দখল করে আছে।


অভিযান চালাতে প্রয়োজনীয় পুলিশ ফোর্স মোতায়েন চেয়ে ডিএনসিসির সম্পত্তি বিভাগ থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে দেওয়া এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানা গেছে। আজ বুধবার প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহে আলম স্বাক্ষরিত ওই চিঠি ডিএমপিকে দেওয়া হয়।


সাদিক অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক গবাদিপশুর খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সভাপতি ইমরান হোসেন। 


ডিএমপিকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা উত্তর সিটির আওতাধীন অঞ্চল-৫–এর অন্তর্ভুক্ত মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধসংলগ্ন আশপাশের অবৈধ স্থাপনাসহ খাল ও সড়কের জায়গায় সাদিক অ্যাগ্রো লিমিটেডের অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা অপসারণ করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। এ সময় তিন প্লাটুন পুরুষ পুলিশ ফোর্স ও এক প্লাটুন নারী পুলিশ ফোর্স প্রয়োজন হবে।


এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটির অঞ্চল-৫–এর এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য আছে, তারা (সাদিক অ্যাগ্রো) রামচন্দ্রপুর খালের জায়গা ভরাট করে খামার করেছে। রাস্তার জায়গায় বেড়া দিয়ে গরুর অবৈধ হাট বসিয়েছিল। এর আগেও তাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু খামার কর্তৃপক্ষ এসব কোনো বিষয়ে তোয়াক্কা করেনি।’


    সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান হোসেন (নীল শার্ট গায়ে)


নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনিচ্ছুক ঢাকা উত্তর সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, খালের ওই অংশে অবৈধ দখলদার সাদিক অ্যাগ্রোর বিষয়টি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছিল। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরানের সখ্য রয়েছে। ঈদুল আজহার আগে ১২ জুন ঢাকা উত্তর সিটির নগর ভবনে অনুষ্ঠিত কোরবানির পশুর হাটে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ছবিতে মেয়র আতিকুল ইসলামের পাশে তাঁকে দেখা গেছে।


সাদিক অ্যাগ্রো কী পরিমাণ জায়গা অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে—জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম বলেন, আগের একটা পরিমাপ রয়েছে। তবে আবার নতুন করে অবৈধ দখলের পরিমাণ মেপেই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি ওই খামার নিয়ে যেসব আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে, এর সঙ্গে এ অভিযানের কোনো সম্পর্ক নেই।

Friday, June 21, 2024

Can the European Union get involved in the Middle East crisis?

    Smoke is seen rising from a location in Israel after a Hezbollah rocket attack. Kiryat Shmona, northern Israel. June 14, 2024

The Lebanese armed group Hezbollah has threatened to attack Israel as well as the European Union (EU) country Cyprus. It is feared that an attack on the Mediterranean country, which is located near Lebanon, could also involve the EU and the UK in conflict.

Hassan Nasrallah, head of Hezbollah, said in a televised address last Wednesday, "If Lebanon is attacked, no place in Israel will be spared from our rockets." If Israel opens its airspace to attack Lebanon, it will also attack Cyprus.

Earlier on Tuesday, Israel's army announced that it had approved plans to launch a military operation in Lebanon.

In response, Hassan Nasrallah, head of the Lebanon-based armed group Hezbollah, threatened to attack Israel and Cyprus.

Meanwhile, the war between Israel and Hamas in Gaza has passed eight months. There is now intense fighting between Israeli forces and Hamas and other Palestinian armed groups in Rafah, the southernmost area of ​​Gaza. In this situation, if the war between Lebanon's Hezbollah and Israel starts and it spreads to Cyprus, the situation can take a different turn.

In the face of threats from Hezbollah, Cyprus President Nicos Christodoulides said his country does not support any side in any crisis. He instead highlighted his country's positive role in reaching war-torn Gaza.

According to him, the Arab countries and the international community are recognizing that role. Cyprus has not publicly provided any direct aid to the Israeli military. However, the Israeli Air Force is allowed to conduct occasional exercises within Cyprus' vast airspace.

Attacks have been launched from UK military bases in Cyprus in the past in Syria and more recently in Yemen. As a former colonial power, the United Kingdom maintains two active military bases in the country.

Iran-backed Hezbollah, Yemen's Houthis and Syria's Bashar al-Assad's government are expected to become more volatile across the Middle East if they engage in a larger conflict with Israel. The United Nations and the US administration are trying to avoid such conflicts.

On the other hand, on Wednesday, the US Air Force attacked Houthi-controlled areas in Yemen. The United States claimed that the ship was being attacked in the Red Sea from the positions of the Houthis.

On the same day, the Israeli Air Force attacked several Hezbollah installations in southern Lebanon. Hezbollah has also carried out drone strikes in northern Israel. Earlier on Tuesday, the Lebanese armed group released video taken by its own drone north of Israel. On this video footage, they threatened to attack military installations in the city and port of Haifa, Israel. However, it has not been possible to verify the authenticity of that video so far.

দক্ষিণ কোরিয়াকে সতর্ক করলেন পুতিন

 

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনকে প্রাণঘাতী অস্ত্র দেওয়ার ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়াকে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে কিয়েভকে যদি সিউল অস্ত্র দেয়, তবে বড় ধরনের ভুল করবে।


রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে একটি সার্বিক কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তিতে কোনো পক্ষ আগ্রাসনের শিকার হলে পারস্পরিক সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় সিউলের পক্ষ থেকে কিয়েভকে অস্ত্র দেওয়ার সম্ভাবনার কথা হয়। এর জবাবে পুতিন সিউলকে সতর্ক করে দেন।


পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ উত্তর কোরিয়া সফর ও দেশটির নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সইয়ের এক দিন পর গতকাল বৃহস্পতিবার ভিয়েতনামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কথাগুলো বলেন পুতিন। তিনি বলেন, সিউল যদি কিয়েভকে অস্ত্র সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে মস্কো এমন সিদ্ধান্ত নেবে, যা দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান নেতৃত্বকে খুশি করার সম্ভাবনা কম।


পুতিন আরও বলেছেন, উত্তর কোরিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে রাশিয়া। মূলত ইউক্রেনে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের প্রতিশোধ হিসেবে মস্কো এ পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া রুশ প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে আরও বলেন, ‘যাঁরা কিয়েভকে অস্ত্র সরবরাহ করে ভাবছেন, তাঁরা রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়াচ্ছেন না, তাঁদের বলছি, রাশিয়ার পক্ষ থেকে পিয়ংইয়ংসহ বিশ্বের অন্য অঞ্চলেও অস্ত্র সরবরাহ ও সংরক্ষণ করার অধিকার রয়েছে।’


সিউলের পক্ষ থেকে পিয়ংইয়ং ও মস্কোর মধ্যে চুক্তিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বিবেচনায় নিন্দা জানানো হয়। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা চ্যাং হো-জিন বলেন, তাঁর দেশ ইউক্রেনকে অস্ত্র সহযোগিতা করার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে।


এদিকে গতকাল পুতিনের ওই মন্তব্যের পর আজ শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে বলা হয়, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের নানা উপায় তারা বিবেচনা করছে। তাদের অবস্থান নির্ভর করছে রাশিয়া এ বিষয়ে কীভাবে অগ্রসর হবে, তার ওপর। সিউলে রুশ রাষ্ট্রদূত জর্জি জিনোভিভকে ডেকে তারা চুক্তির প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং দ্রুত চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছে।


মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে উদ্বেগের সঙ্গেই দেখছে পশ্চিমা দেশগুলো।


চলতি মাসের শুরুতে পুতিন হুমকি দিয়েছিলেন, রাশিয়া পশ্চিমা প্রতিপক্ষকে অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে। কারণ, পশ্চিমারা ইউক্রেনকে অতি সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানতে পারা অস্ত্র সরবরাহ করছে এবং রাশিয়ার ভেতর লক্ষ্যবস্তুতে গুলি চালানোর অনুমতি দিচ্ছে।

টানা বৃষ্টিতে জমেছে পানি, অপরিপক্ব ধান কাটছেন কৃষকেরা

 

    তারাগঞ্জ উপজেলার মংলা ডুব মাঠে তিন দিন ধরে পানিতে ডুবে আছে ধানখেত

‘ধান এবার খুব ভালোই হইছিল। আর ১৫টা দিন গেইলে ঘরোত তুলার পানু হয়। সেই ধান মোর তিন দিন থাকি পানির নিচোত। রইদোত পুড়ি, শ্যালোর পানি দিয়া আবাদ করা কষ্টের ধান চোখের সামনোত পচি নষ্ট হওছে। কিছু করার নাই।’ টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে যাওয়া ৫০ শতক জমির ধানখেত দেখিয়ে কথাগুলো বলছিলেন কৃষক মহুবার রহমান।


রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার দোলাপাড়া গ্রামে মহুবার রহমানের বাড়ি। মংলা ডুবের মাঠে তাঁর আউশ ধানের খেত। তাঁর পাশের খেতে ধান চাষ করেছেন দোলাপাড়া গ্রামের আরেক কৃষক মফেল উদ্দিন। তাঁরও ৬০ শতক জমির ধান এখন পানির নিচে।


মফেল উদ্দিন বলেন, ‘গরিবের মরণ চাইরো দিকে। ধার দেনা করি ধান নাগাছু। তাক বেচে ঋণ শোধ করি, বাকি টাকা দিয়া ভাঙা ঘরের টিন বদলানু হয়। কিন্তু ধান তো পানির নিচোত। পাকা না হওয়ায় কাটিরও পাওছু না। কী করিম কোনো দিশা খুঁজি পাওছু না। কপালোত যে কী আছে।’


শুধু মংলা ডুব মাঠেই নয়; রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের তেরমাইল, দোয়ালাপাড়া ও বদরগঞ্জের শাইলবাড়ি, উত্তরবাওচণ্ডীসহ নিচু ফসলি মাঠে টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে যমুনেশ্বরী ও চিকলী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ধানসহ ফসলি জমি পানির নিচে। এতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। উপায় না পেয়ে অপরিপক্ব ধানই কেটে নিচ্ছেন তাঁরা।


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, তারাগঞ্জ এবারে ৭ হাজার ৭৬০ হেক্টরে বোরো ও ১ হাজার ৬০ হেক্টরে আউশ ধানের চাষ হয়েছে। বদরগঞ্জ বোরো চাষ হয়েছে ১৬ হাজার ৭৪৫ হেক্টরে ও আউশ ৪৫৫ হেক্টরে। 


এ দুই উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাদের দাবি বোরো ধান শতভাগ কাটা হয়েছে। মাঠে এখন শুধু আউশ ধান রয়েছে। টানা বৃষ্টিতে ও উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত নিচু এলাকার আউশ ধান তলিয়ে গেছে।


তারাগঞ্জের মংলাডুব, তেরমাইল ও দোয়ালীপাড়ার মাঠ সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এসব মাঠের অধিকাংশ ধান পানির নিচে। কিছু ধান খেতে হেলে পড়েছে।

তেরমাইল মাঠে কোমরসমান পানিতে ডুবে যাওয়া ধান কাটছিলেন জগদীশপুর গ্রামের কৃষক এয়াকুব আলী। আক্ষেপ করে এয়াকুব আলী বলেন, ‘ধানকোনা আরও এক সপ্তাহ গেলো হয়। উপায় না পায়া আধা পাকা ধান কাটুছু। বেশি দামেও কৃষাণ পাওয়া যাওছে না। ওই জন্যে নিজে পানিত নামি কাটুছু। নাইলে যে একনা ধানও পাইম না।’

ওই মাঠে কথা হয় আরেক কৃষক বালাপাড়া গ্রামের শাহাজাহান আলীর সঙ্গে। তিনি জানান, ৯০ শতক জমির সব ধান তাঁর পানির নিচে। আর দুই দিন থাকলে ধান পচে গন্ধ বের হবে। পানিতে ডুবে যাওয়ায় তাঁর ৫০ হাজার টাকার লোকসান হবে। এ ছাড়াও এ মাঠের বাবু মিয়ার ৭০ শতক, একরামুল হকের ২ একর জমির ধান পানির নিচে বলে জানান তাঁরা।


১০ কাঠাত ধান দেরি করি নাগাছি, দেরিতে পাকছে। হঠাৎ পানি হয়া সেই ধান তলে গেইছে। এ্যালা বুজিক ধানটা আর পাওয়া যাবার নেয়।

পরেশ চন্দ্র রায়, বদরগঞ্জের উত্তরবাওচণ্ডী গ্রামের বাসিন্দা


এদিকে বদরগঞ্জে ধান কাটা ও মাড়াই প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে দেরিতে লাগানো কিছু ধান মাঠ থেকে এখনো কাটতে পারেননি কৃষকেরা। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ধানখেত ডুবে যাওয়ায় কৃষকেরা বিপাকে পড়েছেন। বদরগঞ্জের উত্তরবাওচণ্ডী গ্রামের পরেশ চন্দ্র রায় বলেন, ‘অতি বৃষ্টিতে আমার ৫৫ শতক জমির পাকা ধানখেতে পানি জমেছে। তাই কেটে ঘরে তুলতে পারছি না।’


বদরগঞ্জের শাইলবাড়ি গ্রামের কৃষক আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘১০ কাঠাত ধান দেরি করি নাগাছি, দেরিতে পাকছে। হঠাৎ পানি হয়া সেই ধান তলে গেইছে। এ্যালা বুজিক ধানটা আর পাওয়া যাবার নেয়।’ ওই গ্রামের কৃষক আবদুল মজিদ ও মহুবার রহমানেরও পাকা ধানখেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।


বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেন, এখন যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে পাকা ধান বেশি দিন তলিয়ে থাকলে নষ্ট হতে পারে। তবে ধানখেত তলিয়ে থাকার কোনো তথ্য তাঁদের কাছে নেই।


তারাগঞ্জ কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায় বলেন, ‘আউশের যেসব মাঠ ডুবে গেছে, সেগুলো সরেজমিন দেখেছি। আগামী রোববার পর্যন্ত যদি ডুবে যাওয়া খেত থেকে পানি না নামে, তাহলে কিছুটা ক্ষতি হতে পারে।’

বন্যায় দেশের ৭ লাখ ৭২ হাজার শিশু ক্ষতিগ্রস্ত: ইউনিসেফ

 

    ঘরে–বাইরে সর্বত্র পানি আর পানি। পরিবারের সদস্যের সঙ্গে ঘরে খাটের ওপর বসে আছে পানিবন্দী শিশুরা। গত বৃহস্পতিবার সিলেট নগরের মাছিমপুর এলাকায়

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ইতিমধ্যে ২০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। তারা বলেছে, এই ২০ লাখের মধ্যে ৭ লাখ ৭২ হাজারের বেশি শিশু। তাদের জরুরি সহায়তার প্রয়োজন।


আজ শুক্রবার বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট এক বিবৃতিতে এমন তথ্য জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ।

বিবৃতিতে ইউনিসেফ বলেছে, বন্যার পানি বৃদ্ধির সময় শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। তারা ডুবে মারা যাওয়া, অপুষ্টি ও মারাত্মক পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া, বাস্তুচ্যুতির আতঙ্ক এবং জনাকীর্ণ আশ্রয়কেন্দ্রে নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

সরকার এবং মাঠপর্যায়ের অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় ও অংশীদারত্বে ৫ দিনের মধ্যে প্রায় ১ লাখ বন্যাকবলিত মানুষের কাছে নিরাপদ পানি বিতরণ করেছে ইউনিসেফ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এই সময়ে ৩ হাজারের বেশি ১০ লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পানির বোতল বিতরণ করা হয়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেলে তা মোকাবিলায় বিভিন্ন গুদাম থেকে জরুরিভিত্তিতে অতিরিক্ত জরুরি সরঞ্জাম আনা হচ্ছে।

১৩ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ঈদের ছুটিতে স্কুল বন্ধ ছিল উল্লেখ করে ইউনিসেফ বলেছে, সিলেট বিভাগে ৮১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। তা ছাড়া ৫০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় ১৪০টি কমিউনিটি ক্লিনিক বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নদীগুলোর পানি বিপজ্জনক উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে এবং আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে ইউনিসেফ। তারা বলেছে, এই কঠিন সময়ে সম্ভাব্য সহিংসতা নিরসনে এবং ট্রমা বা আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে শিশুদের সহযোগিতা করতে শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মীরা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন।

পুলিশকে ঢালাওভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

 

    আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে সমাবেশে বক্তব্য দেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে উল্লেখ করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ফখরুলরা (বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) আজকে গুজব ছড়াচ্ছে। পুলিশকে ঢালাওভাবে আক্রমণ করছে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের মতলব আছে। ঢালাওভাবে দুর্নীতিবাজ বানানোর যে চক্রান্ত চলছে, এটা আওয়ামী লীগকে হটানোর জন্য ষড়যন্ত্র কি না, সেটা ভেবে দেখতে হবে।’


আজ শুক্রবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে সমাবেশে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।


দুর্নীতির যেসব খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে, সে প্রসঙ্গ টেনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে গুজব ছড়িয়ে আমাদের দুর্নীতিবাজ দল বলছে, চক্রান্ত করছে। কিছু কিছু মিডিয়া সেই অপপ্রচারে নেমেছে।’


দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালী হোক তাদের বিচার করার সাহস আছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ব্যক্তিবিশেষ অপরাধ করলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) স্বাধীন, বিচার বিভাগ স্বাধীন...। শেখ হাসিনার সৎসাহস আছে দুর্নীতিবাজদের বিচার করার। সে যেই হোক, যত প্রভাবশালী হোক। কিন্তু আজকে যে ঢালাওভাবে দুর্নীতিবাজ বানানোর চক্রান্ত চলছে, এটা আওয়ামী লীগকে হটানোর জন্য ষড়যন্ত্র কি না, সেটা আমাদের ভেবে দেখতে হবে এবং সতর্ক থাকতে হবে।’


আওয়ামী লীগের শিকড় বাংলাদেশের মাটির অনেক গভীরে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কচু পাতার ওপর শিশিরবিন্দু আওয়ামী লীগ নয়, একটি টোকা লাগলেই পড়ে যাবে, একটু ধাক্কা লাগলেই সরে যাবে—এমন দল আওয়ামী লীগ নয়। আওয়ামী লীগের ক্ষমতার উৎস জনগণ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়।


বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আন্দোলন করবেন, ২৮ অক্টোবরের মতো পালিয়ে যাবেন না তো? আপনাদের আন্দোলন তো ভুয়া, বিএনপির আন্দোলন, এক দফা, নেতৃত্ব ভুয়া। বিএনপি হচ্ছে ভুয়া। এই ভুয়া দলের ভুয়া আন্দোলনে জনগণ আগেও ছিল না, ভবিষ্যতেও থাকবে না। যে আন্দোলনে জনগণ নেই, সেটা আন্দোলন নয়।’


বিএনপিকে সতর্ক করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আন্দোলনের নামে আবার যদি আগুন নিয়ে মাঠে নামেন, আগুন–সন্ত্রাস, হত্যা, খুনের রাজনীতি শুরু করেন, তাহলে আমরা (আওয়ামী লীগ) রাজপথে আছি, সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত।’


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন। এ উপলক্ষে আজ আয়োজন করা হয় আনন্দ শোভাযাত্রার। বেলা আড়াইটা থেকেই নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে আসছেন। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের সামনে ট্রাকের ওপর বানানো হয় মঞ্চ। কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তৃতা দেন।


শোভাযাত্রা–পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম; সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।


আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নিতে বেলা আড়াইটা থেকেই নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে আসতে থাকেন। ঢাকঢোল, ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে তাঁরা আনন্দ-উল্লাস করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের পর বিকেল সাড়ে চারটায় শোভাযাত্রা শুরু হয়। শাহবাগ, সায়েন্স ল্যাব মোড় হয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে শোভাযাত্রা শেষ হয়।

Sunday, June 16, 2024

How powerful is the vice president in the United States?

 

    The current Vice President of the United States is Kamala Harris

In the United States, the position of vice president is not very powerful, although he is often seen next to the presidential candidate on the ballot. He is placed next to the presidential candidate in all election campaign events.

Because, a vice presidential candidate helps to spread their election message among the voters and increase the momentum of the campaign.

Who are the candidates of the two main parties in the presidential election of the United States is now very certain. Current President Joe Biden is a candidate from his party, the Democratic Party. He has trusted his vice president Kamala Harris as his running mate.

However, even if there is no official announcement, former US President Donald Trump is the candidate for the presidency from the Republican party. The Republican National Convention will be held next month. Trump may announce his running mate at the conference or a few days before.

Voters will elect the President along with his Vice President. There will be no separate vote for the Vice President. So voting for Trump or Biden also means voting for their vice president.

The election campaign in the United States is now in full swing. Let's learn about the position of Vice President in the United States government system and how they are chosen.

Importance of Vice President in Constitution

Christopher Devin, political science professor at the University of Dayton, commented that a vice president is given "very few responsibilities" in the US Constitution.

This political scientist told Al-Jazeera that if the president dies, resigns or is unable to perform his duties for any reason, then the vice president will take over. It is one of his major responsibilities. Also, if there is a tie in the Senate, the Vice President's vote breaks the tie.

Kamala Harris has had to do this regularly for the first two years of Biden's term. At that time, the upper house of Congress, the Senate, had 100 seats, 50 each, divided between Republicans and Democrats.

The Vice President is the head of the Senate. Over the decades, however, vice presidents have largely ceased to preside over legislative activities. For this reason it has now become largely a formal term.

What does the Vice President do outside of official duties?

Currently, the Vice President works primarily as an advisor to the President. When the president makes a big decision, "the last person in his room is expected to be the vice president," says Professor Devin.

Although the position is now formal, the modern United States has seen vice presidents as influential as Dick Cheney. Cheney showed his charisma especially during George W. Bush's first term. But vice presidents such as Trump's Vice President Mike Pence have been seen not doing any important administration work and staying out of the conversation.

However, presidential historian Lindsay Chervinsky believes that the extent to which the vice president can exert influence on the administration of government depends largely on his own experience and his relationships with others. As an example, he cites Dick Cheney, who served as secretary of defense, member of Congress and White House chief of staff before becoming vice president.

How Vice Presidents are Chosen

Like the president, vice presidential candidates do not have to compete in party primaries. After the presidential candidate is decided, the vice president of his choice is chosen.

The presidential candidate first chooses his running mate from the list and then the vice presidential candidate is formally nominated at the party convention.

What qualifications are considered?

Chervinsky said a good speaker is usually chosen as vice president. But if one is 'ready to speak out' against the opponent, that is considered an added qualification.

Caste, age, gender and experience are often taken into account for the sake of so-called balancing.

Like Biden chose Kamala Harris. Kamala is a black woman and young in age. In contrast, when former US President Barack Obama ran for office, he served as a senator only once. For balance, he chose Biden, a 35-year veteran in the Senate, as his running mate. Biden is currently the president.

Chervinsky said they look at who can help win the election.

    Dick Cheney, George W. Bush's vice president, was the most influential vice president in the United States

Who will Trump choose?

His Vice President Mike Pence did not respond to Trump's call to prevent Biden's victory in the last election. Pence has refused to use his constitutional authority to withhold results on the day the Electoral College votes are counted in Congress.

It's clear, Chervinsky said, this time Trump wants someone who will show loyalty to him, even if it goes beyond constitutional duties. He can choose a woman or someone diverse.

Congressman Elise Stefanik, Senator Tim Scott, Senator J.D. Vance and North Dakota's Doug Burgum are being heard as Trump's possible running mate. Scott is the only black Republican in the Senate.

However, Chervinsky thinks that it is difficult to predict who Trump will choose in the end. Voting for the presidential election in the United States will be held next November.

Is Musk growing distant from the Trump administration over tariffs?

         Tesla CEO Elon Musk   Elon Musk has made several posts on social media criticizing a top White House adviser for US President ...